“মেরে চামড়া গুটিয়ে দেব”, এ যেন একেবারে ইটের বদলে পাটকেল। বাংলার রাজনৈতিক লড়াই ক্রমশ যেন সামনে এগিয়ে আসতে থাকা ভোটের সাথেই ক্রমশ আরো সরগরম হয়ে উঠছে। “মেরে চামড়া গুটিয়ে দেব… চমড়া গুটিয়ে আমড়া করে দেব, পারলে সামলান”- আজ তারাপিঠে এসে মায়ের পূজো দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে এইরূপ মন্তব্যই করলেন বিজেপির রাজু বন্দোপাধ্যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় কয়েকদিন আগেই বোলপুরে মিলন মেলায় এসে বিজেপিকে ইঙ্গিত করে অনুব্রত মন্ডল বলেছিলেন, ‘ঠেঙিয়ে পগারপার করে দিন’ সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই আজ অনুব্রত মণ্ডলকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির এই নেতা। এই বক্তব্য ছাড়াও তিনি বলেন অনুব্রত মণ্ডলকে চিন্তা করতে হবে না। কারন তার জায়গা এবার হবে জেলে। বীরভূমে তিনি যেভাবে অত্যাচার করেছেন, মানুষ খুনের রাজনীতি করেছেন, মাফিয়া তৈরি করেছেন, একটার পর একটা গুণ্ডা তৈরি করে আমাদের কর্মীদের খুন করিয়েছেন। আর মাত্র চারমাস, তারপরেই অনুব্রত মণ্ডলের শ্রীঘরের জায়গা আমরা পাকা করে রেখেছি”
যার ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে যে ভোটের বেশ কিছু সময় আগে থেকেই বোলপুর ক্রমশ বাগযুদ্ধের কুরুক্ষেত্র হয়ে উঠছে সে কথা সবার কাছেই স্পষ্ট। বোলপুরে অনুব্রত মন্ডলের দাপট অনেক দিনেরই কিন্তু বর্তমানে প্রায় সমকক্ষ দাপট গড়তে অনেকটাই সক্ষম হয়েছে বিজেপি। যার প্রমান পাওয়া গিয়েছিল অমিত শাহের রোড শো তেই। কিন্তু তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর র্যা লিতেও আগমন হয়েছিল বিপুল পরিমান মানুষের। এতএব বোলপুরে যে এবারের ভোটে কোন ফুল ফুঁটতে চলেছে সেকথা পূর্বানুমান করতে গেলে অনেক বড় রাজনীতিবিদেরও ঘাম ছুটে যাবে। কিন্তু বাগযুদ্ধেই যে লড়াইয়ের দামামা বেজে গেছে তা স্পষ্ট সবার কাছেই। তবে সব শেষে চামড়া গুটিয়ে আমড়া হয় নাকি, ঠ্যাঙানি খেয়ে পগারপারে যেতে হয় তার উওর জানাবে আসছে ভোটের ফলাফল।
