সুদেষ্ণা মন্ডল , দক্ষিন ২৪ পরগনা: পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত ভাঙড়। শনিবার আইএসএফরের প্রতিষ্ঠা দিবস ছিল। প্রতিষ্ঠা দিবসের আগে থেকে শুক্রবার থেকেই উত্তপ্ত ভাঙড় । তৃণমূল আইএসএফ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বোমাবাজি থেকে পার্টি অফিসে আগুন, মারামারি সবমিলিয়ে পরিস্থিতি এখনও থমথমে। শনিবার ভাঙড়ের আঁচ এসে পড়েছিল কলকাতার ধর্মতলায়। রবিবার ভাঙড়ে উদ্ধার হল বস্তাভর্তি তাজা বোমা। সেই বোমা উদ্ধার হল তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের বাড়ির পিছনের চাষের জমি থেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।
{link}
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানান গিয়েছে, রবিবার সকালে বস্তাভর্তি বোমা দেখে গ্রামবাসীরা খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। এই ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনজন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। বোমা ছাড়াও একটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরাবুল ইসলামের ছেলে হাকিবুল বলেন,শনিবার রাত থেকে ওই জমিতে আইএসএফের কর্মীরা বোমা-বন্দুক নিয়ে বসেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর। তবে সাধারণ মানুষ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। উল্লেখিত, শনিবার ধর্মতলা চত্বরে আইএসএফ কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধের চিত্র এখনও টাটকা। ইট বৃষ্টি থেকে কাঁদানে গ্যাস দুই পক্ষের লড়াইয়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কলকাতার প্রাণকেন্দ্র। আইএসএফ কর্মীদের বিক্ষোভ তুলতে গেলেই পুলিশের সঙ্গে গন্ডগোল শুরু হয়। তবে শেষে পুলিশ জমায়েত সরিয়ে দেয়। ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি সহ বেশ কয়েকজন আইএসএফ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিক অর্থে ভাঙড়ের রাজনীতিতে উত্তাপ বেড়েছে।
{ads}