অতীত। ইতিহাস। নিয়েই তৈরি হয় রচনা, একটা সময়ে বামেদের মিছিল মিটিঙয়ে সলীল চৌধুরীর সুরের গান বাজত। বাজত বিপ্লবের গান। বাম কর্মী সমর্থকদের গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠত। কৃষক, শ্রমিক কলকারখানায় কাজ করা সংগঠিত কিংবা অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক গানের সুরে তাল মিলিয়ে তারা ছুটতো মিটিংয়ের মঞ্চের দিকে। চার দশক অতিক্রান্ত এখন আর বামেদের মিটিঙয়ের সেই পুরোনো দিমের গান খুব বেশি আর শোনা যায় না। শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি এই ধরনের স্লোগান কিংবা ভিয়েতনামের রক্ত হবেনাকো ব্যার্থ কিংবা এই ধরনেরও স্লোগান আজকাল আর দেখাই যায়না। বদলে যাচ্ছে রাজনীতির প্রেক্ষাপট, তথ্য ও প্রযুক্তির উপরে নির্ভর করে চলছে রাজনৈতিক প্রচার। কিছুটা হলেও বামেরা বিজ্ঞানের এই সুযোগ বা দান সেইভাবে গ্রহন করতে পারেননি। গত দশ বছরে একেবারে ফোর্থ লেয়ারে চলে যাওয়া জনসমর্থনকে আবারও ফিরে পেতে চাইছে বামেরা। চেষ্টার কওন কসুর নেই। কিন্তু জনসমর্থন ফিরছে কই?
সদ্য নবান্ন অভিযানের আন্দোলনকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা আবেগ লক্ষ্য করা গেছে তরুন তরুনী এবং যুবক যুবতিদের মধ্যে। রাজনীতির ময়দানে বিজেপি ও তৃনমূলের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রতিযোগিতায় নেমেছে বামেরা। দীর্ঘদিনের পুরোনো বস্তাপচা একগুঁয়ে মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে তরুন তরুনীদের হাত ধরে নতুন ভাবনা নিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে হাজির হয়েছেন কমরেডরা। খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান কিংবা শিক্ষা স্বাস্থ্য নিয়ে বহুদিন ধরেই সরব বামেরা। বিজেপি ও তৃনমূলকে নিশানা করে ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাম নেতারা কি বলেন তার দিকেই নজর রাখছে সাধারন মানুষ। দেখুন তাদের নতুন ভাবনা।
