Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

মুখ্যমন্ত্রী কোন কাজ কে ছোট মনে করেন না, তাই তেলেভাজা বিক্রিরও পরামর্শ দেন: চন্দ্রনাথ

Loading... রাজ্য
মুখ্যমন্ত্রী কোন কাজ কে ছোট মনে করেন না, তাই তেলেভাজা বিক্রিরও পরামর্শ দেন: চন্দ্রনাথ
#news #industry #Mamata Banerjee #West Bengal #সংবাদ

সুদেষ্ণা মন্ডল, বারুইপুর: তিনি কোনও কাজকেই ছোটো মনে করেন না। তাই, বিরোধীদের সমালোচনা তুড়ি মেরে উড়িয়ে তিনি রোজগারের জন্য তেলেভাজা বিক্রিরও পরামর্শ দেন। এই ভাবেই কর্মসংস্থানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে হাতিয়ার করতে চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাম্প্রতিক সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, মুখ্যমন্ত্রীর সেই ভাবনাকে ঘিরে সাফল্যের নজির গড়ছে বাংলা। গোটা দেশে গাড়ি, রিয়েল এস্টেট-সহ একাধিক শিল্পক্ষেত্র যখন মন্দার কবলে, অনুৎপাদক সম্পদের (এনপিএ) কারণে ব্যাঙ্কগুলি যথেষ্ট ঋণ দিতে পারছে না, তখন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে ব্যাঙ্ক ঋণ পাওয়ার নিরিখে দেশের মধ্যে এক নম্বরে পৌঁছে গেল পশ্চিমবঙ্গ।নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে না। যে কারণে দেশের জিডিপি-র হার কমছে। এই প্রতিকূল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতেও জিএসডিপিতে দেশের মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রাষ্ট্রায়ত্ত, বেসরকারি ও সমবায় ব্যাঙ্কগুলি থেকে প্রাপ্ত ঋণই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রাণভোমরা। অনুৎপাদক সম্পদের কারণে ব্যাঙ্ক ও এনবিএফসি  ঋণ প্রদান করতে না পারায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ধাক্কা খেয়েছে। সেই জায়গায় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সমস্ত রাজ্যকে টেক্কা দিয়ে ব্যাঙ্কগুলি থেকে রেকর্ড ঋণ পেয়েছে।

{link}
২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে রাজ্য সরকার ও ব্যাঙ্কগুলির কমিটি এসএলবিসি (স্টেট লেবেল ব্যাঙ্কার্স কমিটি)-র বৈঠকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ৫০ হাজার কোটি টাকা ঋণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যমাত্রাকে টপকে গিয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ৫৬ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষেও রাজ্যের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্য ছাপিয়ে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। ওই অর্থবর্ষে ৩৮ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ৪৪ হাজার ৫৯ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছিল। একই সঙ্গে অর্থ দপ্তর কৃতিত্ব দিচ্ছে পরিকাঠামোর প্রসারকেও। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বৃদ্ধির জন্য ক্লাস্টার নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। এই পরিকাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে বাম জমানার তুলনায় তৃণমূল জমানায় রেকর্ড উন্নতি হয়েছে বলে অর্থ দপ্তরের দাবি। অমিত মিত্রের কথায়, '২০১১ সালে রাজ্যে মাত্র ৪৯টি ক্লাস্টার ছিল। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৫২০টি। আর্থিক মন্দা ও ব্যাঙ্কের অনুৎপাদক সম্পদের কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ধুঁকতে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তা ঠিক তার ভারসাম্য ধরে রেখেছে। 

সর্বশেষ আপডেট: