শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় রেমালের চোখ রাঙানি দেখেছে সুন্দরবনবাসীরা । কিন্তু রেমালের আতঙ্ক কেটে যাওয়ার পর নতুন করে সুন্দরবন এলাকার মানুষেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত সুন্দরবনের উপকূল তীরবর্তী এলাকায় চলেছে বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়ার দাপট। বৃষ্টি ও ঝড়ো হওয়ার জোড়া ফালায় সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী বাঁধগুলিতে দেখা দিয়েছে ফাটল । সেই ফাটল থেকে এলাকায় প্রবেশ করছে নদীর নোনা জল। তেমনই মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গঙ্গাসাগরে চক ফুলডুবি মন্দিরতলা এলাকায় নদীর বাঁধ উপছে মুড়িগঙ্গা নদীর জল এলাকায় ঢোকা শুরু করেছে ইতিমধ্যে। মাটির নদী বাঁধ হওয়ার কারণে আতঙ্কে নদী বাঁধে কাছে এসে ভিড় জমিয়েছে এলাকার মানুষেরা।
{link}
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বেশ কয়েক বছর ধরে গঙ্গাসাগরের চক ফুলডুবি মন্দিরতলা এলাকায় মুড়িগঙ্গা নদীর যে মাটির নদী বাঁধ রয়েছে সেই মাটির নদী বাঁধে বেহাল দশা হয়ে পড়েছিল । প্রশাসনের তরফ থেকে কাজ শুরু করা হলেও সেই কাজ এখনো সুসম্পন্ন করা যায়নি। ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব দেখেছে গোটা বাংলা। রেমালের আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে গোটা বাংলা । কিন্তু নদী বাঁধ উপছে এলাকায় নদীর নোনা জল ঢোকার কারণে নতুন করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে গঙ্গাসাগরের চক ফুল ডুবির মন্দিরতলা এলাকার কয়েকশো গ্রামবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বেশ কয়েক বছর ধরে এই নদীবাঁধের বেহাল দশা হয়েছিল । প্রশাসনের তরফ থেকে কাজ শুরু করা হলেও সেই কাজ এখনো শেষ করেনি। ঝড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে নদী বাঁধ উপছে এলাকায় নদীর নোনা জল ঢুকছে ।
{link}
নদী বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে ।বারবার স্থায়ী কংক্রিটের নদী বাঁধ একমাত্র সমাধান এই মাটির নদী বাঁধ । বড় বড় ঝড়ে আমাদেরকে রক্ষা করতে পারবে না। এ বিষয়ে মুরিগঙ্গা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাপতি আব্দুল সামাদ শাহ বলেন, এই নদী বাঁধে মেরামতের কাজ চলছিল কিন্তু হঠাৎ করে প্রাকৃতিক বিপর্যয় আসার পর সেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। নদীর জোয়ারের জল এলাকায় ঢুকছে । সেই কারণে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এলাকার মানুষদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে। দুর্যোগ কেটে যাওয়ার পর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বেহাল নদী বাঁধ মেরামতির কাজ করা হবে।ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী আকাশ পথে বেরিয়েছেন।
