শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: গভীর সংকটে রাজ্য কংগ্রেস। শুভঙ্কর সরকারের নেতৃত্বে লড়াই শুরু হওয়ার আগেই প্রার্থীর জটে দিশেহারা রাজ্য কংগ্রেস। হাইকম্যান্ডের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই ঘোষণা করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার । তাঁর কথায়, “ছাব্বিশের নির্বাচনে সংগঠন শক্তিশালী করাই প্রধান লক্ষ্য । তাই সব আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত ।”কিন্তু লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত যতটা স্পষ্ট, প্রার্থী বাছাই ততটাই কঠিন । বিধান ভবন সূত্রের দাবি, রাজ্যের 33টি সাংগঠনিক জেলা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম এসেছে প্রায় আট-ন’শো । এত বিপুল আবেদনকারীর মধ্যে থেকে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ । ভোটে জেতার অঙ্কের পাশাপাশি ‘যোগ্য মুখ’ খুঁজে বের করাই মূল কাজ ।
{link}
দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রার্থী বাছাইয়ে নির্দিষ্ট কিছু মাপকাঠি স্থির হয়েছে । সমাজে প্রতিষ্ঠিত, সৎ ও গ্রহণযোগ্য মুখ—বিশেষত শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, আইনজীবী কিংবা সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে । পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনসংযোগ, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও আন্দোলনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে । এই প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই একাধিক জেলায় সাংগঠনিক বৈঠক সেরেছেন এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক ও বঙ্গের পর্যবেক্ষক গোলাম আহমেদ মীর । তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার , ত্রিপুরার বিধায়ক ও বিশেষ পর্যবেক্ষক সুদীপ রায় বর্মণ এবং প্রদেশ সহ-সভাপতি প্রীতম ঘোষ । উত্তরবঙ্গ থেকে বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি—একাধিক জেলায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলীয় বি.এল.এ-2 (বুথ লেভেল এজেন্ট) কর্মীরাও । জেলা সফর শেষ হলে আবেদনকারীদের বায়োডাটা খতিয়ে দেখবে প্রদেশ স্ক্রিনিং কমিটি । তার পর চূড়ান্ত তালিকা যাবে দিল্লিতে, যেখানে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি মতামত জানাবে ।
{ads}