Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 09/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

West Bengal Politics: একাই ২৯৪ টি আসনে লড়াইয়ের পরিকল্পনা! সিপিএমের হাত ছাড়ছে কংগ্রেস

Loading... রাজ্য
West Bengal Politics: একাই ২৯৪ টি আসনে লড়াইয়ের পরিকল্পনা! সিপিএমের হাত ছাড়ছে কংগ্রেস
#Congress West Bengal #West Bengal News #West Bengal Politics #Rahul Gandhi #West Bengal Election #Assembly Elections #সংবাদ #রাজনীতি #সিপিএম #কংগ্রেস সিপিএম জোট

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল হঠাৎ কেটে সাঁইবাড়ি প্রসঙ্গ সামনে এনে কংগ্রেস কর্মীদের উজ্জীবত করার কাজ শুরু করে দিয়েছে শুভঙ্করের রাজ্য কংগ্রেস। তারা আবার সাঁইবাড়ির সেই পুরোনো শ্লোগান সামনে এনেছে  - 'রক্তভাত খাচ্ছে মা, এই দৃশ্য আর না’। কিন্তু মমতা সরকারের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো শ্লোগান সামনে আনে নি। সিপিএমের বক্তব্য, কংগ্রেস যা চাইছে করুক, মানুষ সব বিচার করবে। সিপিএম যতই এ কথা বলুক, সাঁইবাড়ির প্রসঙ্গ উঠতে প্রাক্তন কংগ্রেস কর্মীদের উপর নৃশংস অত্যাচারের ঘটনার স্মৃতি উসকে উঠেছে। যার প্রভাব কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে পড়বে বলেই দাবি দলের একটা অংশের। ২০১৬ থেকে মাঝে দু’-একটি বাদ দিলে ২০২১ পর্যন্ত বেশিরভাগ নির্বাচনেই কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের জোট হয়েছে। তখন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল যে, বর্ধমান শুধু নয়, রাজ্যজুড়ে তাদের চিরশত্রু সিপিএমের সঙ্গে জোট হয়েছিল কীভাবে? সেই সম্পর্ক অতীত।

{link}

  যদিও একথা ঠিক রাজনীতিতে শেষ কথা বলা যায় না। এই পরিস্থিতিতেই নতুন করে জেলা সফর শুরু করে প্রচার একপ্রকার শুরু করে দিয়েছে কংগ্রেস। বর্ধমান ঘুরে, বীরভূম হয়ে তাদের হুগলি যাওয়ার কথা। প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ছাড়া রয়েছেন দলের পর্যবেক্ষক গোলাম মীর, সিনিয়র পর্যবেক্ষক ত্রিপুরার নেতা সুদীপ রায়বর্মনরা। এই পরিস্থিতিতেই শুভঙ্কর সাঁইবাড়ির শহিদদের স্মরণ করে সিপিএমের সঙ্গে সম্পর্ক ‘অতীত’ বলে দিয়েছেন। তাতেই পুরনো ঘায়ের স্মৃতি উসকে উঠেছে। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য, “কংগ্রেস নেতারা একা লড়বেন ঠিক করেছেন। তার জন্য বর্ধমানে যাচ্ছেন যান, আরও দ্রুতগতিতে যান। সাঁইবাড়ির কথা বললে বলবেন। কিন্তু মানুষ জানতে চাইবে, তদন্ত রিপোর্টের কী হল? তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশংকর রায়ের আমলেও কোনও রিপোর্ট সামনে আসেনি, আবার কংগ্রেস যে তৃণমূলের সঙ্গে জোট সরকার করেছিল তারাও কোনও রিপোর্ট দেয়নি। এসব কংগ্রেসের ভোটের কারবার।” এখন শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কোন দিকে যায় তা দেখার অপেক্ষা।

সর্বশেষ আপডেট: