শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার খারাপ ব্যবস্থাপনার কারণে যুবভারতী থেকে অল্প সময়েই বেরিয়ে যান মেসি। পরবর্তী সময়ে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে স্টেডিয়াম। বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ করেও মেসিকে দেখতে না পেয়ে স্টেডিয়াম ভাঙচুর করেন দর্শকরা। বিপুল ক্ষতি হয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের। সম্পূর্ণ ঘটনা ক্ষতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি গঠন করে রাজ্য সরকার। এবার সেই কমিটির সুপারিশেই গৃহীত হল কড়া পদক্ষেপ। শোকজ করা হয়েছে পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্তাকে। অপরদিকে, সাসপেন্ডও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে।
একটি সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের কেলেঙ্কারি নিয়ে সোমবার রাতে নবান্নের কাছে জমা পড়ে তদন্ত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্ট। একইসঙ্গে প্রাথমিক সুপারিশও জমা করা হয়। সেই রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতেই সোমবার কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তা ডিজিপি রাজীব কুমারকে। একইভাবে শোকজের সম্মুখীন হয়েছেন বিধাননগরের পুলশ কমিশনার মুকেশ কুমার। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে শনিবার লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানে কী কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে তাঁদের।
{link}
প্রসঙ্গত, একইসঙ্গে বিধাননগর পুলিশের ডিসি অনীশ সরকারের বিরুদ্ধেও দেওয়া হয়েছে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ। যতদিন এবিষইয়ে তদন্ত চলবে, ততদিন সাসপেন্ডেড অবস্থায় থাকবেন তিনি। শোকজ করা হয়েছে ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক দফতরের প্রধান সচিব রাজেশ কুমার সিংহকে। কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (CEO) দেবকুমার নন্দনের বিরুদ্ধে। তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের দফতরের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে এই নির্দেশগুলির প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানের দিন মেসির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হওয়ার কারণে তিনি অল্প সময়েই মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় মাঠ জুড়ে। গ্যালারি থেকে একের পর এক বোতল পড়তে থাকে মাঠের ভিতর। কিভাবে মাঠের ভিতর বোতল পৌঁছালো সেই বিষয়টিকে নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে মাঠের ভাঙচুর হল কিভাবে সেই প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজা হচ্ছে।
{ads}