শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: আবার নিজস্বরূপে ফিরে এসেছেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপির হয়ে সর্বত্র শুরু করেছেন রাজনৈতিক সভা সমাবেশ। এমনকি ‘বেঙ্গল টাইগার ইজ ব্যাক’ বলে তাঁর নামে পোস্টারও পড়েছে। স্বাভাবিক কারণে তিনিও খুব উত্তেজিত। এবার রানাঘাটে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে দিলীপ ব্যাখ্যা করলেন, এগারো থেকে একুশের নির্বাচন পর্যন্ত কীভাবে জিতেছে তৃণমূল। এসআইআর-র পর ছাব্বিশের নির্বাচনে সেই সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বাড়ছে। হিয়ারিং প্রক্রিয়ায় ভোটারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে কমিশন ও বিজেপিকে তুলোধনা করছে তৃণমূল। এসআইআর আতঙ্কে ৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল। পাল্টা তৃণমূলকে আক্রমণ করছে বিজেপি। এই আবহে মঙ্গলবার রানাঘাটে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা থেকে এসআইআর নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করলেন দিলীপ ঘোষ। দিলীপ এবার হাতিয়ার করেছে ভুয়ো ভোটার। সেই প্রসঙ্গেই এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর জেতার প্রসঙ্গ।
{link}
এদিন তিনি বলেন, “এসআইআর-র পরই বুঝেছি, দিদিমণি যে ভবানীপুর থেকে জিতেছেন, সেখানে সাড়ে ৪৪ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। উনি কত ভোটে জেতেন? কেন জেতেন আমরা জানলাম। নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন। ওখানকার লোকেরা কান মুলে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। কারণ, ওখানে মাত্র ১০ হাজার মৃত ভোটার ছিলেন। জিততে পারেননি। ভুয়ো ভোটার ছাড়া জিততে পারেন না। তাঁর প্রিয় ভাই মেয়র ববি হাকিম, তাঁর এলাকায় ভুয়ো ভোটার বেরিয়েছে ৬৬ হাজার। ২০, ২৫, ৩০ শতাংশ ভুয়ো ভোটার রয়েছে। এই যে তিনবার জিতেছে তৃণমূল, পুরোটাই ভুয়ো ভোটারের ভোটে জিতেছে। সিপিএম তাই করত।” যদিও এই কথার কোনো গুরুত্ব দিতে চাইছে না তৃণমূল। তাদের স্পষ্ট কথা এবার মমতা চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসছেন।
{ads}