শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : সমাজমাধ্যমে (Social Media) ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়ো দেখা গিয়েছে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলছেন, ‘দল ঠিক করবে কে কোথায় লড়বেন। আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে লড়তে চান কিনা। আমি বলেছি, হ্যাঁ! দল আমাকে প্রথম থেকে এখানে(খড়গপুর) দাঁড় করিয়েছে। আবার দাঁড় করালে লড়ব। আর নির্বাচন লড়তেই হবে এর কি মানে রয়েছে?’ বলে রাখা ভাল, বাংলায় সাংগঠনিক জোর বাড়িয়ে রাজ্য বিজেপির (BJP) প্রাক্তন সভাপতি প্রথম নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন খড়্গপুর (Kharagpur) সদর থেকেই এবং জয়লাভও করেছিলেন।
{link}
বর্তমানে এই কেন্দ্রে বিজেপিরই বিধায়ক রয়েছে। কিন্তু খড়্গপুরের সঙ্গে দিলীপের একটু বেশি ‘আত্মিকতা’। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এই ‘টানের’ কথাটা হয়তো হিরণও জানেন। দিলীপ যখন খড়্গপুরে একুশের ‘শহিদ স্মরণ’ সভার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তার আগেই নিজের বিধানসভা এলাকার মানুষজনের সঙ্গে সম্পর্কটা আরও একটু ‘আত্মিক’ করতে ‘হ্যালো বিধায়ক’ নামে কর্মসূচি শুরু করতে হল তাঁকে। শুধু তা-ই নয়, দিলীপ ও হিরণ, একই দলের আদি-নব্য আর তাদের সম্পর্কের রসায়নটাও চেনা ‘দ্বান্দ্বিক তত্ত্বের’ মতোই। অর্থাৎ মিলমিশ প্রায় নেই বললেই চলে।
{link}
সেই কারণেই তো খড়্গপুরে যখন কন্যা সুরক্ষা যাত্রা করছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যার আয়োজক ছিলেন রাজনৈতিক মহলে ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত হিরণ। এবার এই দ্বন্দ্ব, টানাপোড়েনের মাঝেই ইঙ্গিতে খড়্গপুরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা জাহির দিলীপের। ঠিক যেভাবে নিজের সংসদীয় রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন তিনি। দলে যখন ‘দূরত্ব’ বেড়েছে, সেই আবহেই যেন আবার ‘প্রথম পাতায়’ ফিরে যেতে চান দিলীপ।
