শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: নিপা ভাইরাস নিয়ে এই মুহূর্তে সচেতন হতে হবে। বাদুড় বাহিত এই রোগে দুজন আক্রান্ত হয়ে হসপিটালে ভর্তি হলেও তার সংস্পর্শে এসেছে অনেকেই। তাই উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ আছে। নিপায় আক্রান্ত সিস্টার এবং ব্রাদার নার্সের বয়স যথাক্রমে ২২ এবং ২৫ বছর। দু’জনেই বারাসতের হৃদয়পুরে মেস ভাড়া করে থাকেন। জানা গিয়েছে তাঁদের একজন সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানে গিয়েছিলেন। একজনের বাড়ি কাটোয়ায়, অপরজনের বাড়ি নদিয়ায়। কিন্তু রাজ্যের বাইরে যাওয়ার কোনও ইতিহাস নেই অতিসম্প্রতি। বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ওই দুই নার্স। ওই দু'জন ছাড়া আর কোনও সংক্রমণের তথ্য সামনে আসেনি এখনও পর্যন্ত। তবে আক্রান্ত অবস্থাতেই তাঁরা হাসপাতালে ডিউটি করায় তাঁদের সংস্পর্শে আসা সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে মেসে থাকা ৩ জন, চিকিৎসক এবং অ্যাম্বুল্যান্স চালককেও নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গুসকরায় নার্সিংয়ের একটি পরীক্ষায় বসেছিলেন পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা সিস্টার নার্স। নিউটাউনে টিসিএসের সেন্টারে একটি পরীক্ষায় বসেছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা ব্রাদার নার্স।
{link}
কনট্রাক্ট ট্রেসিংয়ে আসা এই সকলকে আইসলেশনে থাকার নির্দেশ হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫ জনের নমুনা কল্যাণী AIIMS-এ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। বারাসত রথতলা সংলগ্ন বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক দফায় দফায় বৈঠক করেছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সমুদ্র সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, আক্রান্ত দু'জনেরই কনট্যাক্ট ট্রেসিং করা হচ্ছে। সংখ্যাটা বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য কর্মীদের সতর্ক করে বলা আছে, একিউট এনসেফ্যালাইটিস সিনড্রোমে আক্রান্ত পেলে বা সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোমে কেউ আক্রান্ত হলে কনট্যাক্ট হিস্ট্রি ট্রেস করতে হবে।
{ads}