দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজে ঢিলেঢালা ভাব, যার ফলে অস্বস্তিতে পড়ছে সাধারন মানুষ। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের শিবিরে কর্মীরা এলেও ফর্ম নেই সেই সব কর্মীদের সাথে। দলের কোন্দলে কাজ হচ্ছে না বলে এইরকমই অভিযোগ উঠল ডোমজুরের জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে| অভিযোগ করেছেন স্বয়ং পঞ্চায়েত প্রধান। বারে বারে শিবিরের দিন জানিয়েও না আসার ফলে বিপুল ভোগান্তির সম্মুখীন হতে এলাকার মানুষদের। তাই শেষপর্যন্ত আর কোন রাস্তা না পেয়ে এবারে কাজ শেষ কর্মীদের না ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান।
বর্তমানে দুয়ারে সরকার ও স্থাস্থ্য সাথী পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন দুটি প্রকল্প। প্রতিনিয়ত এই প্রকল্পে কাজ হয়ে চলেছে। জনতারা যে এই সকল প্রকল্পে উপকৃত হয়েছেন তাও জানিয়েছেন অনেকেই। কিন্তু বেশ কিছু ক্ষেত্রে কাজে গাফিলতির অভিযোগ উঠছে জনগনের পক্ষ থেকে। কয়েকটি ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালে রুগীর পরিজনকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। ফলে কোথাও গিয়ে কি সম্পূর্ন সাফলতা লাভ করতে পারছে না এই প্রকল্পগুলি? পিছনের কারন অবশ্যই হয়ত ক্ষতিয়ে দেখা হবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। যদিও প্রথম থেকেই সরকারের এই প্রকল্পগুলিকে কটাক্ষ করে এসেছে রাজ্যের বিরোধী শিবিরগুলি। এর পরবর্তি পদক্ষেপ সরকারের পক্ষ থেকে কি হয় তাই দেখার।
প্রশ্ন হচ্ছে মাইক হাতে যাকে সরকারি কর্মচারিদের হাজারও গাফিলতির কথা বলতে শোনা গেল কয়েক মাস আগেও তাকে এইভাবে সরকারের বিভিন্ন কাজের গাফিলতিতে সরব হতে দেখা যায়নি। তার মানে কি এটাই ধরে নিতে হবে যে এতোদিন পর্যন্ত তার পঞ্চায়েত এলাকায় সরকারি নিয়ম অনুযাই সমস্ত কাজ নির্দিষ্ট সময়ে হয়েছে? নাকি তিনি ফুল ছেড়ে আর এক ফুল ধরবার দৌড়ে এগিয়ে আছেন বলে ঠিক বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সরকারি গাফিলতি তার নজরে পড়ছে?
