কোভিড বিধি মেনেই দশমির দিন হাওড়ায় শহর জুড়ে সমস্ত গঙ্গার ঘাটগুলিতে চলল প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব। পুলিশ ও পুরসভার পক্ষ থেকে একাধিক পদক্ষেপের মাধ্যমে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। সেই পদক্ষেপ অনুযাই দশমী, একাদশী ও দ্বাদশী পর্যন্ত নিরঞ্জন পর্ব চলবে। প্রত্যেক বছরের ন্যায় এই বছরেও গঙ্গা দূষন নিয়ন্ত্রনের উপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে।
{link}
বছরের চারটি দিন বাঙালির ঘরে থাকার পর দশমীর দিন যখন মা বিদায় নেন তখন বাঙালির মনটা বিষাদে ভরে ওঠে। কিন্ত মা কে বিদায় জানানোর মাঝে দুঃখ মন করে থাকলে তা বড়ো বে মানান হয়ে দাঁড়ায়। তাই মা কে বিদায়টা বিষাদের ছন্দ কাটিয়ে আনন্দের সাথেই জানানো হয়। গতকালও কার্যত সেইভাবেই একই ছবি চোখে পড়ল হাওড়ার বিভিন্ন ঘাটে। বিশেষ করে ব্যাস্ততা চোখে পড়ে হাওড়ার শিবপুর ও রামকৃষ্ণপুর ঘাটে। সকাল থেকেই প্রতিমা নিরঞ্জন শুরু হয়েছিল, বিকেল হতেই প্রতিমা নিরঞ্জন ও ঘাটে ঘাটে ভিড় বাড়তে থাকে। সব কটি ঘাটেই প্রতিমা নিরঞ্জন এর জন্যে কুলির ব্যাবস্থা করা হয়েছিল। সেই কুলিরাই ঠাকুর জলে ফেলার ব্যাবস্থা করছেন ও তারপর জলে কিছুক্ষন থাকার পর সেই ঠাকুর তারাই জল থেকে তুলে ফেলেছেন। সাথে শিবপুর ঘাটে প্রতিমা তুলে আনার জন্য ক্রেনের ব্যাবস্থাও রয়েছে। গঙ্গার দূষণ যাতে কোনভাবেই বৃদ্ধি না পায়, সেই কারনেই এই বন্দোবস্ত। আজ ও কাল অর্থাৎ দ্বাদশী পর্যন্ত প্রতিমার এই নিরঞ্জন পর্ব চলবে।
.jpeg)
