উৎসবের মরশুম শেষ হতে না হতেই আসন্ন বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে কার্যত এখন থেকেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। অমিত শাহের কোচিংয়ে ভোটের আখড়ায় রাজ্যে এখন থেকেই নিজেদের সমস্ত পারদর্শী এবং দক্ষ খেলোয়াড় পাঠাতে শুরু করে দিয়েছে তারা। শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালেন কেন্দ্র বিজেপির সাধারন সম্পাদক দুষ্মন্ত গৌতম। বিমানবন্দরে মালা পরিয়ে ও ফুলের স্তবক দিয়ে তাকে বরণ করে নেওয়া হয়। বিমানবন্দরেই সাংবাদিকদের তিনি বলেন আগামী ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভ করবেই এবং তার জন্যে এখন থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির সমস্ত কর্মী সমর্থক। তিনি আরও বলেন সারা দেশ জুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাজে খুশি দেশের সমস্ত মানুষ, তাই বাংলায় আগামী দিনে বিজেপি সরকার আসবে বলেই দৃঢ় বিশ্বাস বিজেপির এই নেতার। {ads}
২০২১ এর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন কার্য পরিচালনার সুবিধার্থে পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলাকে এবারে ৫টি ভাগে ভাগ করেছে বিজেপি। পাঁচটি ক্ষেত্রের দ্বায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে অমিত শাহ-এর প্রথম পছন্দের পাঁচজন দুঁদে ভোট কুশলীকে। বিধানসভার মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০০টি আসন জেতার টার্গেট দিয়েছেন অমিত শাহ। উল্লেখ্য, শেষ লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি কে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এমন পাখির চোখ করে লড়াই করতে দেখা যায়নি। বিধানসভা নির্বাচনে এতো সংঘবদ্ধভবে এবং জোড়কদমে প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়নি বিজেপিকে। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে ২১১টি সিট পেয়েছিল তৃনমূল, ৩টি আসন পায় বিজেপি।
বর্তমান সময়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামাল দিতে কার্যত নাজেহাল অবস্থা তৃনমূলের।এখনও সেভাবে কোনও বড় পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি সিপিএম কিংবা কংগ্রেসেকেও। তবে বিহার ভোটে জয়লাভ কার্যত এখন বাড়তি অক্সিজেন প্রদান করেছে বিজেপিকে। যার ফলে এ রাজ্যেও জয়লাভের লক্ষ্যে তেড়েফুঁড়ে লড়াইয়ে নামছে অমিত শাহের দল। এখন তাদের “উনিশে হাফ, একুশে সাফ” স্লোগান কি সফলতা পাবে? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়একমাস পেরিয়ে এক গ্রীষ্মের বিকেলের জন্যে। {ads}