সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিন ২৪ পরগনা: আচমকাই ভোররাতে ভয়াবহ আগুন গঙ্গাসাগরে। অগ্নীকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ১০টিরও বেশি দোকান। বৃহস্পতিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরের বামনখালিতে। দশটিরও বেশি দোকান সম্পূর্ন ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। আগুন দেখতে পেয়ে দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকল বাহিনী এসে উপস্থিত হওয়ার আগেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারন করে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানা গিয়েছে। তবে ভস্ম হয়ে যাওয়া জিনিসের মধ্যে শেষ সহায়টুকু খোঁজার চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কী থেকে আগুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এক গ্যাল সিলিন্ডার ফেটেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে দ্রুত। ছড়িয়ে পড়া আগুন থেকে দোকানগুলিতে থাকা একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার ফাটতে থাকে। পরে দমকলের আরও একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। সাগর থানার পুলিশ পৌঁছে ঘিরে রাখে এলাকা। বাজারের মধ্যে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ব্যবসায়ীরা।
{link}
স্থানীয় সূত্রের খবর, একটি চায়ের দোকানে বেআইনিভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করা ছিল। সেটা ফেটেই প্রথম আগুন লাগে। সেই আগুন দ্রুত পাশের দোকানগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। ভোরের আলো ফোঁটা পর্যন্ত ১২টি দোকান পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও বেশ কিছু দোকান। চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে সাগরের বামনখালি এলাকায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ ছাড়িয়ে যাবে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে. বামনখালির একটি চায়ের দোকানে কোনওভাবে আগুন লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। তাঁরাই এলাকা থেকে জল এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায়, আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে দ্রুত। বামনখালি এলাকা ভীষণ ঘিঞ্জি। সেই কারনেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসতে রীতিমতো বেগ পেতে হয় দমকল বাহিনীকে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান হিসেব করে দেখা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।
