কয়েকদিন আগেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। নির্ঘন্ট প্রকাশিত হওয়ার পরেই কার্যত কোমর বেঁধে ভোটের লড়াইয়ে নেমে পড়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। নিজেদের জনসংযোগ বাড়িয়ে তুলতে ও জনগনের মধ্যে পরিচিতি লাভ করতে মরিয়া বিজেপি, তৃণমূল থেকে বাম নেতৃত্ব প্রত্যেকেই । এহেন বহু বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা না হলেও প্রচার সহ দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছেন বহু প্রার্থীই।
সেইরকমই প্রাক্তন মন্ত্রী তথা একদা দোর্দণ্ডপ্রতাপ সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষের এই বিধানসভায় শালবনী কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়া প্রায় নিশ্চিত। দলীয় সূত্রে সবুজ সঙ্কেত পেয়েই শালবনীর গ্রামে গ্রামে ঘুরে সাধারন মানুষের সাথে সাক্ষাৎপর্ব শুরু করে দিয়েছেন প্রাক্তন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী। সেই সূত্রেই এক ভিডিও সামনে এসেছে। ভিডিওটিতে স্পষ্ট দেখা এবং শোনা যাচ্ছে শালবানীর একটি গ্রামে দাঁড়িয়ে সুশান্ত কয়েকজন গ্রামবাসীকে বলছেন, “মাওবাদীরা জানে সুশান্ত ঘোষ কে। তৃণমূল আর বিজেপির বাপ-ঠাকুরদাও জানে। এতদিন যা করেছে করেছে। আমি ছিলাম না, তাই মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারিনি। এখন কারও গায়ে যদি হাত পরে সোজা গাঁয়ে যাব, যার ক্ষমতা হবে গায়ে হাত দেওয়ার সোজা ঘর থেকে তুলে নিয়ে এসে হাত-পা ভেঙে আমিই চিকিৎসা করাব।”
অর্থাৎ নিজের পুরোনো পরিচিতি কে কাজে লাগিয়েই আসন্ন নির্বাচনে বাজিমাত করার লক্ষ্যে আছেন এই বাম নেতা। এবারে বাম কংগ্রেস ও আই এস এফ-এর জোটের ব্রিগেড সমাবেশের পর কার্যত মনোবল বিপুল পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে দলের কর্মীদের। যার ফলে নির্বাচনের লড়াইয়ে তারাও এক বিন্দুও খামতি রাখতে চান না। এখন এই জোট সামনের একুশের নির্বাচনে সরকার গড়ায় সাফল্য লাভ করতে পারে কি না তাই দেখার বিষয়।
