জখম হয়েছিলেন ভোট পরবর্তী হিংসায়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না, মারা গেলেন কলকাতার হাসপাতালে। গতকাল, মঙ্গলবার প্রান হারিয়েছেন শ্যামল দাস। তিনি বীরভূমের নানুরের বাসিন্দা ছিলেন।
{lnik}
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে আট দফায়। শিতলকূচির ঘটনা বাদ দিলে সেহেন অশান্তির ঘটনা ঘটেনি রাজ্যে। কিন্তু রাজ্যে অশান্তি শুরু হয়েছে ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পর। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনা উঠে এসেছে সামনে। সেই একইভাবে নির্বাচনোত্তর অশান্তির জেরে উত্তপ্ত হয়েছে বীরভূমের নানুরও। নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে ২রা মে। তার ঠিক পরের দিন তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ হয় রানিনগর গ্রামে। সংঘর্ষে জখম হন ২ তৃণমূল কর্মী। এঁদের মধ্যেই ছিলেন প্রয়াত শ্যামল দাসও। জখম হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছিল কলকাতার হাসপাতালে। গতকাল সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। নানুরের বিজেপি নেতা তথা পরাজিত প্রার্থী তারকেশ্বর সাহা বলেন, ভোটের ফল ঘোষণার পরের দিন রানিনগর গ্রাম লুঠ করতে যায় তৃণমূল। গ্রামবাসীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে সংঘর্ষ বাঁধে। তার জেরেই জখম হন কয়েকজন। তারকেশ্বরের অভিযোগ, এই ঘটনায় হামলাকারীদের ছেড়ে দিয়ে বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদেরই গ্রেফতার করছে পুলিশ।
{link}
বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। নানুরের নবনির্বাচিত বিধায়ক বিধান মাঝি অভিযোগ করেন, ভোটে হেরে গিয়ে আক্রোশবশতঃ বিজেপি ওই তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। কিন্তু এই সব অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের মাঝে যেই প্রান হারিয়ে গেল, সে তো আর ফিরে আসবে না… স্বজনহারা হতে হল তার পরিবারের মানুষজনকে। এই দায় কে নেবে ?
