Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

West Bengal Election: রাজ্যে এপ্রিলে বিধানসভা ভোট, এপ্রিলেই ফলপ্রকাশ! খবর কমিশন সূত্রে

Loading... রাজ্য
West Bengal Election: রাজ্যে এপ্রিলে বিধানসভা ভোট, এপ্রিলেই ফলপ্রকাশ! খবর কমিশন সূত্রে
#Assembly Election #West Bengal Assembly Elections #Bengali News #Trinamool Congress #BJP #CPIM #Mamata Banerjee

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: আর দেরি নয়। এবার হাতে কালি লাগানোর সময় চলে আসলো। ভোট নিয়ে কমিশনের  সঙ্গে এতো বিতর্ক সম্ভবত স্বাধীনতার পরে আর হয় নি। ২০০২ সালেও 'SIR' হয়েছে। কিন্তু হয় নি কোনো বিতর্ক। সব শেষ করে এবার ভোটের দিন ঘোষণার মুখে। সম্ভবত ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে। সম্ভাবনা প্রবল। বিবেচনাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আগেই ভোটের দিন ঘোষণা করবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বাংলার সঙ্গেই ভোটের দিন ঘোষণা হবে, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম, পুদুচেরির। রাজ্যে ক’দফায় ভোট হবে, এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে রয়েছে। ১ থেকে ৩ দফায় ভোট হতে পারে বলে একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এপ্রিলেই ভোটের ফল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দলগুলিও CEC-র সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক কিংবা দু’দফাতেই ভোট চায়। সূত্রের খবর, সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় হতে পারে প্রথম দফার ভোট। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি তবে কবে? প্রথম থেকেই জল্পনা চলছিল, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোট ঘোষণা হতে পারে। এবার জানা যাচ্ছে, ১৬ মার্চ বাংলায় ভোট ঘোষণা হতে পারে। ইতিমধ্যেই CEC জ্ঞানের কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের ফুল বেঞ্চ বাংলায় এসে গোটা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দিয়েছে।

{link}

  সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্তা, জেলাশাসক, পুলিশ  সুপার সকলের সঙ্গে বৈঠক করে জল মেপে গিয়েছেন।  ছাব্বিশের নির্বাচন রক্তপাতহীন করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সেক্ষেত্রে, বাম-বিজেপি CEC -র কাছে জানিয়ে এসেছে, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির প্রবণতা কমবে। সেক্ষেত্রে সূত্রের খবর, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়েই প্রথম দফার ভোট হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির গেঁরোয় যাঁরা এখনও পর্যন্ত বিচারাধীন। প্রায় ৬০ লক্ষের নাম বিচারাধীন। তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এই মুহূর্তে প্রায় ৫০০ জন জুডিশিয়াল অফিসার কাজ করছেন। গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়টি নিয়ে আগাম পিটিশনও দেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তাতে বিরক্ত হয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। তখনই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীনের নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও অনেকেরই ভাগ্য ঝুলছে। সেক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানি চলতে থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ পর্যন্ত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা যাবে।

সর্বশেষ আপডেট: