দীপাবলি আর কিছুদিনের অপেক্ষায় , আলোয় মেলে ধরা এই আরাধনায় আকাশে রকমারি বাজিতে নীল আকাশ পরিনত হয় কৃত্রিম রামধনুতে । তবে করোনার কথা মাথায় রেখে নিষিদ্ধ থাকবে বাজি এবং দুর্গাপূজার বিধিনিষেধ মেনেই হবে কালীপূজা, জগদ্ধাত্রী এবং কার্তিক পূজা।
কিছু নিয়মবিধি মেনে চলতে হবে পূজা কমিটিদের।১৫০ স্কোয়ার মিটার বা তার থেকে কম আয়তনের প্যান্ডেলে ১০ জনের বেশি প্রবেশাধিকার নয়। ১৫০ থেকে ৩০০ স্কোয়ার মিটারের প্যান্ডেলে ১৫ জন থাকবে। ৩০০ স্কোয়ার মিটারের বেশি প্যান্ডেলে ৪৫ জনের বেশি থাকবে না। প্যান্ডেল থেকে ৫ মিটার এলাকা নো-এন্ট্রি জোন হবে। ঢাকিদের প্রবেশাধিকার থাকবে। বাজি নিষিদ্ধ করা হলো এবছরের জন্য। রাজ্যের সর্বত্র নিষিদ্ধ বাজি। কালীপূজা, দিওয়ালি এবং ছট পূজাতেও বন্ধ বাজি। বাজি বিক্রিও করা যাবে না। পুলিশ সবটা নিশ্চিত করবে। স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বাধ্যতামূলক। দূরত্ববিধি বলবৎ থাকবে। বিসর্জনের শোভাযাত্রা হবে না। বাজনা এবং আলোকসজ্জা করা যাবেনা বিসর্জনের জন্য। নূন্যতম আয়োজন করতে হবে বিসর্জনের জন্য।বিসর্জন ঘাটে বেশি লোক নয়।
করোনায় আক্রান্ত মানুষদের কথা চিন্তা করে এবং যারা সুস্থ কিন্ত এখনো চিকিৎসা চলছে তাঁদের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
জেনে নেবো নিয়মবিধির পরিপেক্ষিতে পরিবেশবিদ সুভাষ দত্তের মতামত

