সুদেষ্ণা মন্ডল, ডায়মন্ডহারবার: অবশেষে হুগলি নদীর কচুয়াখালি থেকে উদ্ধার ভেসেল দুর্ঘটনায় নিখোঁজ আতিফা পারভিনের(৬) মৃতদেহ । দুর্ঘটনার প্রায় ৪২ ঘণ্টা পর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ আর এক শিশুকন্যার। তার দেহের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ ও প্রশাসন।
{link}
রবিবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার জেটিঘাটের কাছে ভেসেল থেকে নামার সময় দুর্ঘটনায় হুগলি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে যায় ২ শিশু কন্যা। রবিবার রাত থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু করে দেয় ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ ও প্রশাসন। সোমবার গোটা হুগলি নদী চষে ফেলে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশের লঞ্চ ও স্পিডবোট। সোমবার রাতভর তল্লাশি চালানোর পর অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে হুগলি নদীর অপর প্রান্তে হলদিয়ার কচুয়াখালী থেকে উদ্ধার হয় হুগলি নদীতে তলিয়ে যাওয়া শিশু কন্যার মৃতদেহ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হলদিয়ার কাছে হুগলি নদীতে থাকা একটি ইলেকট্রিক টাওয়ারের পোস্টে মৃতদেহ আটকে থাকতে দেখে মৎস্যজীবীরা। এরপর খবর দেয়া হয় ডায়মন্ড হারবার থানাতে। ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তৎপরতায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। হুগলি নদীর তীরে পরিবারের লোকজনেরা উৎকণ্টায় রাত কাটিয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের কাছে সনাক্তকরণ করা হয়। ময়না তদন্তের জন্য ডায়মন্ড পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি সিতারা নাজের (৮) খোঁজে হুগলি নদীতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তার দেহ দ্রুততার সঙ্গে উদ্ধার করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

