অতিমারীর পরিস্থিতিতে একেতেই নাজেহাল স্বাস্থ্যব্যাবস্থা। চারিদিকে সংক্রমণের গ্রাফ বেশ ধীর গতিতেই নিচে নামছে। তার ওপর আনলক প্রক্রিয়া শুরু হবার পর বেড়েছে মানুষজন এবং যানবাহন চলাচল। এছাড়াও পূজো পার্বণ তো রয়েছেই। এমনাবস্থায়, হাইকোর্টের নির্দেশে বাজি নিষিদ্ধ হওয়া কিছুটা হলেও স্বস্থি দেবে শহর কলকাতাকে। তাই, আদালতের এই রায়েরই প্রশংসা করলেন ডাক্তার শ্যামাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি তার সাক্ষাৎকারে জানান, করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষেরই হৃদয় দুর্বল। অনেকের হৃদরোগ ছাড়াও রয়েছে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা। তাই এই পরিস্থিতে শব্দবাজির প্রয়োগ তাদের জন্য ডেকে আনতে পারে নানান অসুবিধা। হাঁপানি রুগীদেরও মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে শব্দবাজি। ইতিমধ্যেই, রাজধানীতে বাড়তে থাকা দূষণের মাত্রাকে উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, কলকাতায় আসন্ন উৎসবগুলিতে যদি বাজি ব্যাবহারে মাধ্যমে কোনোভাবে দূষণ বৃদ্ধি পায়, তাহলে তাতে ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে রাজ্যের মানুষের। অন্যদিকে, লোকাল ট্রেন চালু হওয়াকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন। মহারাষ্ট্রে ট্রেন চলার পরবর্তী সময়ে সেভাবে মারাত্মক সংক্রমণের হার দেখা যায়নি। তাই এ রাজ্যেও লোকাল ট্রেনের পুনরায় ব্যাবহার খুব একটা সমস্যা তৈরী করবে না বলে তিনি মনে করেন। সর্বাধিক যে বিষয়টিতে তিনি জোড় দিয়েছেন সেটি হল মাস্কের যথাযথ ব্যাবহার এবং ভিড় এড়িয়ে চলা।
বর্তমান পরিস্থিতে, সুধুমাত্র স্বাস্থ্যব্যাবস্থা ভেঙে পড়েছে তাই নয়, একই সাথে মন্থর গতিতে চলছে ব্যাবসা বাণিজ্যও। তাই সতর্কতা এবং সাবধানতা বজায় রেখে কাজ করাটাই শ্রেয় বলে মনে করছেন প্রত্যেকেই।
শব্দবাজি নিষিদ্ধকে সাদরে আমন্ত্রণ
Loading...
রাজ্য
#Fire crackers ban
#corona
#air pollution
#West Bengal
সর্বশেষ আপডেট:

