বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে রাজ্যে জোড় কদমে শুরু হয়েছে জনগণের পতিক্রিয়া জয়ের লড়াই। রাজ্য শিবির এবং দিল্লী শিবির দুই পক্ষ্যই মরিয়া হয়ে উঠেছে নিজেদের প্রভাব এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধির তাগিদে। এরই মাঝে আজ কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের উদ্যোগে এক অভিনব প্রয়াস চোখে পড়ল। চেতলা থেকে বঙ্গ ধ্বনির যাত্রা শুরু করলেন তিনি। উদ্যেশ্য ছিল গত দশ বছরের তৃণমূলের সরকারের বিভিন্ন সমাজ উন্নয়নমূলক কাজকে তুলে ধরা।
সেই যাত্রাপথেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের প্রাণ হারানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি ২০০২ সালের গুজরাটের গোধরা হত্যাকান্ডটিকে তুলে ধরে জানান, ঠিক যেখানে সেই ঘটনায় বিজেপি ২০০০ জন মানুষকে দাঙ্গার মূহূর্তে হত্যা করেছিল, সেভাবেই এই বাংলায় তিনি এবং অন্যান্য তৃণমূল কর্মীরাও খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছেন। কিন্তু, সেই সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর জীবন বাংলার মানুষের জন্যে উৎসর্গ করেছেন। তাই, তিনি বাংলার মানুষের জন্যে কাজ করার যে ব্রত নিয়েছেন তা মৃত্য পর্যন্ত পালন করে যাবেন। এদিন তিনি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যপাল সম্পুর্ণ রুপে বিজেপির দলদাসে পরিণত হয়েছেন। ফলত, তিনি তাঁর পদে থেকে তার পদের অমর্যাদা করছেন এবং সেই সঙ্গে সংবিধানেরও অমর্যাদা করছেন। কেশরী নাথ ত্রিপাঠীর কথা উল্লেখ করে বলেছেন, এর আগেও বিজেপির মনোনীত রাজ্যপাল বাংলায় নিযুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কখনোই বর্তমান রাজ্যপালের মতো বিজেপির হয়ে কথা বলেননি।
বঙ্গ ধ্বনি যাত্রার প্রসঙ্গেই তিনি জানান, তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি এবং সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বচারপতির পদের যথেষ্ট সম্মান করেন এবং সেই সঙ্গেই বাংলার মানুষের হয়ে কাজ করা তার আদর্শ। ফলত, আগামীদিন গুলিতেও তিনি এভাবেই মানুষের সেবা করে যাবেন।
এদিন চেতলা থেকে অনুষ্ঠিত বঙ্গ ধ্বনির যাত্রায় বিপুল পরিমাণে জনগনের প্রতিক্রিয়া লাভ করে তৃনমূল। বেশ সুষ্ঠ ভাবেই আয়োজিত হয় এই যাত্রা। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার বাংলা সফরের পরবর্তী সময়েই কলকাতা পুরসভার উদ্যোগে পরিচালিত এই সভা ছিল রাজ্যে ফিরে দেখা উন্নয়নেরর মাধ্যমে জনমত দৃঢ় করার এক সংগঠিত প্রয়াস মাত্র।
বঙ্গ ধ্বনিতেই যাত্রার স্মৃতিচারণা
Loading...
রাজ্য
#Firhad Hakim
#Kolkata Municipal Corporation
#Mayor
#TMC
#West Bengal
#2021 Assembly Election
সর্বশেষ আপডেট:
