Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 12/05/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Firhad Hakim : রামনবমীতে অশান্তির আশঙ্কা ফিরহাদের

Loading... রাজ্য
Firhad Hakim : রামনবমীতে অশান্তির আশঙ্কা ফিরহাদের
#News #Breaking News #Firhad Hakim #Rama Navami #সংবাদ

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : রামনবমী (Rama Navami) নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তা এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) সম্প্রতি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা মানুষের মধ্যে কিছু মুষ্টিমেয় ব্যক্তির মাধ্যমে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, রামনবমীর দিন এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তবে তাদের চিহ্নিত করতে পারলে কোনো সমস্যা থাকবে না। ফিরহাদের কথায়, প্রতিবছর রামনবমী উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তিনি নিজে রাত জাগেন, যাতে পরিস্থিতি শান্ত রাখা যায়। এদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) রামনবমী উপলক্ষে চড়া সুরে তৎপরতা চালাচ্ছেন।

{link}

তারা রামনবমী মিছিল এবং অস্ত্র নিয়ে জনসমাবেশের বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এর মাধ্যমে বিজেপি হিন্দুত্বের নীতি এবং শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে রাজনৈতিক মঞ্চ প্রস্তুত করতে চাইছে বলে মনে হচ্ছে। আরএসএসও তাদের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে, যাতে শক্তি প্রদর্শন করে বিজেপির এই পরিকল্পনাকে সফল করা যায়। ফিরহাদ হাকিম এই পরিস্থিতি সম্পর্কে বলছেন, “বাংলায় সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চলবে না। আমরা রামকৃষ্ণের মত ‘যত মত তত পথ’ বিশ্বাসী। পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় রাজনীতি কখনোই জয়ী হবে না।” তিনি আরও বলেন, “অমিত শাহরা বাংলায় পদ্মফুল ফোটানোর আশা করেন, কিন্তু যতদিন ধর্মীয় রাজনীতি করবে, ততদিন তারা বাংলায় সফল হবে না।” তাঁর এই মন্তব্যের মধ্যে রাজ্যের ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রতি দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

{link}

অন্যদিকে, আরএসএসের পক্ষ থেকে রামনবমীর মিছিলের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত বলে মানা হয়েছে। ড. জিষ্ণু বসু, আরএসএসের পূর্ব ক্ষেত্রের সহ প্রচার প্রমুখ, বলেন, “দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মাচরণের বিভিন্ন রীতি আছে, এবং আইনশৃঙ্খলা বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের ওপর নির্ভরশীল।” এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, সঙ্ঘের পক্ষ থেকে দায়িত্ব তাদের উপর চাপানো হয়নি, বরং প্রশাসনকেই বিষয়টি সামলাতে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে শান্তি বজায় রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট: