সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: একটি কিংবা দুটি নয়, একেবারে চার চারটি বাঘরোল শাবক ও তিনটি পেঁচা শাবক উদ্ধার। তাদের উদ্ধারও করেছেন ক্যানিং-এর একটি গ্রামের কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হয়েছে বনদফতরের হাতে। জানা গিয়েছে ক্যানিংয়ের হাটপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা আসমত মোল্লা।সোমবার সকালে নিজের ঘর মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় তার নিজের গোয়াল ঘরের বাঘরোল শাবকের কান্নার শব্দ শুনতে পায়।গোয়াল ঘরে ঢুকতেই নজরে পড়ে চার চারটি বাঘরোল শাবক কাঁদছে। শাবক গুলো নিয়ে কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না তিনি।
{link}
পরে এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী সিরাজ ঘরামী কে ঘটনার কথা জানান তিনি। সমস্ত ঘটনা শুনে অতি তৎপরতায় উদ্যোগ গ্রহণ সিরাজ । তিনি বনদফতরের সাথে কথা বলেন। পরে শাবক গুলির করুনদশা দেখে নিজের হাতে মাতৃস্নেহে চারটি বাঘরোল শাবক কে দুধ খাইয়ে দেন। খাওয়ার পর শাবক গুলোর কান্না থামে। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বনদপ্তরের হাতে।
{link}
অন্যদিকে একইভাবে এদিন সকালে কার্যত একই ঘটনার সাক্ষী হাটপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সোহরাব ঘরামী। তার ঘর থেকে উদ্ধার হয় তিনটি পেঁচা শাবক। তিনিও তাদের উদ্ধার করে বনদফতরের হাতে তুলে দিয়েছেন। বনদফতর সুত্রে জানা গিয়েছে পেঁচা ও বাঘরোল শাবক গুলো গ্রামবাসীদের মানবিক তৎপরতায় উদ্ধার হয়েছে। আপাতত পর্যবেক্ষনে রাখা হবে। পরবর্তী সময়ে শাবক গুলো কে নির্দিষ্ট স্থানে ছেড়ে দেওয়া হবে। কোথা থেকে এহেন স্থানে এতোগুলি বাঘরোল ও পেঁচা এলো তাই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। সম্পূর্ণ বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছে বনদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন।
