শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শিলাবতী নদীর পাড়ে প্রকৃতির নিপুণ ছোঁয়ায় গড়ে ওঠা ‘বাংলার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন’ বা গনগনি আজ সরকারি ও প্রশাসনিক অদূরদর্শিতার বলি। যে লাল মাটির গিরিখাত পর্যটকদের আদিম সৌন্দর্যের হাতছানি দিত, আজ তা তথাকথিত ‘উন্নয়নের’ যূপকাষ্ঠে বলিদত্ত।
{link}
প্রকৃতির তৈরি ভাস্কর্যকে সম্মান জানানোর বদলে প্রশাসন সেখানে নামিয়েছে সিমেন্ট আর কংক্রিটের বুলডোজার। আদিম রুক্ষতাকে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে ইট-কাঠ-পাথরের কৃত্রিম চাদরে। পর্যটন কেন্দ্র বানানোর দোহাই দিয়ে যত্রতত্র গড়ে তোলা হচ্ছে সস্তা মানের কাঠামো, যা এই অঞ্চলের ভৌগোলিক স্বকীয়তাকে চিরতরে মুছে দিচ্ছে। অভিযোগ আরও গুরুতর—উন্নয়নের আড়ালে চলছে সরকারি জমি দখল। প্রভাবশালীদের দাপটে ও প্রশাসনের মেকি আধুনিকীকরণের নেশায় নদীপাড়ের ভারসাম্য আজ বিপন্ন।
{link}
পর্যটকরা এখানে আসতেন মাটির গন্ধ নিতে, কিন্তু আজ তাঁদের স্বাগত জানাচ্ছে তপ্ত কংক্রিট আর টাইলস। এই মেকি উন্নয়ন আসলে ঐতিহ্যের অপমৃত্যু। প্রলেপ দিয়ে প্রকৃতির আসল রূপ ঢেকে দেওয়া মানে তাকে সংরক্ষণ করা নয়, বরং শ্বাসরোধ করে মারা। এখনই এই ধ্বংসলীলা না থামলে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে গনগনি কেবল ইতিহাসের পাতায় এক মৃত আশ্চর্য হয়েই থেকে যাবে।
{ads}