করোনার প্রভাবে দিশেহারা হয়ে প্রাণ হারাতে হয়েছে প্রচুর মানুষকে । সরকারি বেডের অভাবে চিকিৎসা করাতে হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে । প্রাণ হারিয়েছেন মানুষ আর তাঁর সঙ্গে হারিয়েছেন জমানো পুঁজিও ।সেই পরিবার গুলির মুখে হাসি ফোঁটাতে এগিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার , চালু হয়েছে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প বিনামুল্যে ।এছারাও রাজ্যের সমস্ত প্রয়োজনীয় মানুষ এই সুবিধা পাবেন ।১ লা ডিসেম্বর থেকে এই প্রকল্পের কাজ চালু হয়ে গেছে , এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন । {ads}
হাওড়া পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মল্লিকা রায় চৌধুরীর উদ্যোগে দেওয়া হল স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের ফর্ম । স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের মধ্যে এই ফর্ম বিলি করলেন তিনি । পাশাপাশি অন্যান্য মানুষদের মধ্যেও বিলি করা হল এই ফর্ম । পাশাপাশি হাওড়ার ডোমজুড়ের বাঁকড়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করা হল এই ফর্ম । বাঁকড়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে সংঘটিত হল এই কর্মসূচি । এখানকার খাঁ পাড়ায় এই ফর্ম বিতরণ করা হয় । মূলত যাঁদের এখনও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই তাঁরা এদিন এখানে উপস্থিত হয়েছিলেন নতুন কার্ড করার জন্য ।
স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের যে যে সুবিধা পাওয়া যাবে তা হল
১. পরিবারপিছু মিলবে ৫ লক্ষ টাকার ক্যাশলেস চিকিত্সার সুযোগ।
২. সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে মিলবে এই প্রকল্পের সুবিধা।
৩.স্বাস্থ্য সাথীর স্মার্ট কার্ড দেখাতে মিলবে ক্যাশলেস চিকিৎসা পরিষেবা।
স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প রাজ্য সরকার দ্বারা প্রাথমিক ভাবে শুরু হয়েছিল ৩০শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সালে। প্রকল্পের অধীনে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে মানুষকে এই প্রকল্পের অধীনে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায় একটি খামতি ছিল এই প্রকল্পে, তা হল রাজ্যের প্রতিটি পরিবারকে এই প্রকল্পের অধীনে আনা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সেই সমস্যাকেই দূর করতে নতুন ভাবে পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার।
বছরের শেষে এই সুবিধা পেয়ে খুবই খুশি রাজ্যর মানুষ , তাঁদের এক কঠিন চিন্তা থেকে অনেকটাই নিশ্চিন্ত তাঁরা ভবিষ্যতের কথা ভেবে । তাঁরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্য সরকারকে । {ads}