মা তুমি কাছে থেকেও, আজ অনেক দূরে ...
শেষ ! উৎসবের সমাপ্তি ! কিন্ত পুজো হবে , কাছে থেকেও আজ অনেক দূরে দেবী আনন্দময়ী ।
২-৩ লক্ষ মানুষের সুরক্ষার জন্য ৩০ হাজার পুলিশ যথেষ্ট কিনা এই নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট , আদেও সম্ভব কিনা এই ব্যাপারে চিন্তিত মাননীয় বিচারপতি । সমস্ত কিছু পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট জানিয়েছে, পুজোর সঙ্গে বাঙালির আবেগ জড়িত রয়েছে। তাই পুজোয় মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার থাকলে সেখানে জড়ো হবেনই বাঙালি। এছাড়া ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এবং প্রচারিত ছবি দেখেই ভিড় কতটা হতে পারে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা করা যাচ্ছে।
আদালত থেকে জানানো হয়েছে ,বড় প্যান্ডেল – সহ সবাইকে নো এন্ট্রি ও বাফার জোন করতে হবে ।এটা ঠিক যে প্রচুর মানুষ রাস্তায় আসতে পারেন । তাই ভিড় এড়াতে ছোট জায়গায় আগে থেকে সচেতনতা বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে ।মণ্ডপে কমিটির সদস্যরাই থাকতে পারবেন কিন্ত তা সীমিত ।দর্শকরা মণ্ডপে যেতে পারবেন না তাঁদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।নির্দেশে বলা হয়েছে ছোট মণ্ডপের থেকে ৫ মিটার ও বড় মণ্ডপের থেকে ১০ মিটার দূরে রাখতে হবে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড।এই যে একটি বলয় তৈরি হচ্ছে তার ভেতরে দর্শনার্থীদের কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। ভার্চুয়াল মাধ্যমে পুজো দেখতে হবে সাধারণ মানুষকে। এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
করোনা পরিস্থিতিতে মাসের পর মাস বন্ধ স্কুল, কলেজ। বহু মানুষ হারিয়েছেন প্রাণ। এই পরিস্থিতিতে পুজো হোক কিন্ত উৎসব নয়। এই দাবি জানিয়েই কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন এক ব্যাক্তি।সেই মামলার রায় দিতে গিয়ে মাননীয় বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ করোনাকে ঘিরে এরকম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে হাইকোর্ট।
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর দু নয়ন ভরে স-পরিবারে তোমায় দেখার সুযোগ থেকে আমরা বঞ্চিত , যার কারনে আমরা বঞ্চিত তাঁকে বিনাশ করার দায়িত্বটাও মা তুমি নিও , সন্তান হিসেবে তোমার কাছে এই দাবি রইল।
