গতকালই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে মোট ২৯৪ টি আসনের পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছেন মমতা-অভিষেক। তালিকায় রয়েছেন একাধিক নতুন মুখ। বাদ পড়ে গিয়েছেন সত্তরেরও অধিক বিধায়ক। তবে, চমকও রয়েছে একাধিক। প্রার্থী করা হয়েছে একাধিক নতুন যুব নেতাদের। হাওড়ার বালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট পেয়েছেন কৈলাশ মিশ্র। তিনি এই বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়ায় ইতিমধ্যেই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন।
{link}
মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকায় নাম ঘোষণা হওয়ার পরেই উৎসবে মেতে উঠেছিলেন কৈলাশের অনুগামীরা। রানা চট্টোপাধ্যায় কে সরিয়ে তাঁকে প্রার্থী করেছে ঘাসফুল শিবির। ধারণা করা হচ্ছিল শীঘ্রই প্রচারের ময়দানেও নেমে পড়বেন তিনি। কিন্তু, সেই পথে হাঁটলেন না যুব নেতা। টিকিট পেয়েই প্রচার নয় বরং বালি বিধানসভা কেন্দ্রের জঞ্জাল ও নিকাশী সমস্যার সমাধানে রাস্তায় নামলেন তৃণমূল প্রার্থী কৈলাশ মিশ্র। ‘আগে কাজ করবো তারপর ভোট চাইতে যাব’, স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। একবারে মোক্ষম রনকৌশল কাজে লাগিয়েছেন তিনি বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।
{link}
চমকপ্রদভাবে ২৬ –এর বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে রানা চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে শিবপুর কেন্দ্রে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। নতুন প্রার্থী হিসাবে ঘোষিত হয়েছে কৈলাশ মিশ্রর নাম। উল্লেখ্য, হাওড়া সদর তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি কৈলাশ। দলের যুব নেতা হিসাবেই টিকিট পেয়েছেন তিনি। দল পারফর্ম্যান্সে খুশি হয়েই তাঁকে প্রার্থী করেছে।
{link}
বুধবার সকালে প্রচারের পরিবর্তে বালিকে জঞ্জাল মুক্ত করতে ও নিকাশীর সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে এলাকা ঘুরে দেখেন কৈলাস। লিলুয়া এলাকায় গিয়ে বালি পুরসভার আধিকারিক ও সেচ দপ্তরের কর্মীদের ফোনে কার্যত ধমক দিতে দেখা যায় তৃণমূল প্রার্থীকে। বলেন অবিলম্বে সমস্যার সমাধান করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ আছে বালির মানুষ যেনো দুর্ভোগে না থাকে। এরপর পুরসভা তড়িঘড়ি জঞ্জাল অপসারণের কাজ শুরু করে। কৈলাশ মিশ্র আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি বালির সমস্যার সমাধান করবেন।
প্রসঙ্গত, বালি পুরসভায় ভোট হয়নি দীর্ঘদিন। পুর পরিষেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ মানুষ। ভোট না হওয়ার কারণে এলাকায় তৈরি হয়েছে একাধিক সমস্যা। এমনকি এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক রানা চট্টোপাধ্যায় একই কারণে বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছিলেন। জল নিকাশী ও জঞ্জাল পরিষ্কারের সমস্যার সমাধানে বারবার রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন বাসিন্দারা।
{ads}