Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 09/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Howrah News: ১১ দিন পর ডোমজুড় থেকে উদ্ধার কাকদ্বীপের নিখোঁজ মৎস্যজীবীর মৃতদেহ

Loading... রাজ্য
Howrah News: ১১ দিন পর ডোমজুড় থেকে উদ্ধার কাকদ্বীপের নিখোঁজ মৎস্যজীবীর মৃতদেহ
#News #Kakdwip #South 24 pargana #Howrah #Domjur hospital #West Bengal #India #সংবাদ #মৃত্যু

সুদেষ্ণা মণ্ডল, কাকদ্বীপ: ১১ দিন পর উদ্ধার হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের নিখোঁজ মৎস্যজীবীর মৃতদেহ। মৃত মৎস্যজীবীর নাম ইয়াসিন শেখ। তাঁর বয়স মাত্র  ২৯ বছর। তিনি কাকদ্বীপের হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার ৩ নম্বর মধুসূদনপুরের খানপাড়ার বাসিন্দা। সূত্রের খবর, গত ২৭ জুলাই ট্রলারে করে মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে পাড়ি দেন ইয়াসিন। তারপর  রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। পরিবারের লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এই মৎস্যজীবীর সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। তবে এতদিন কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার হাওড়ার ডোমজুড়ের একটি হাসপাতাল থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতদূরে কীভাবে এই মৎস্যজীবীর দেহ এল, সেটা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। এই ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। মৃত ইয়াসিনের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে বর্তমান। একমাত্র রোজগেরে সদস্যকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবার।

{link}
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায় ‘বিশ্ব জয় ৩’ নামে একটি ট্রলারে কর্মরত ছিলেন ইয়াসিন। সংসারের হাল ফেরানোর জন্য প্রায়ই গভীর সমুদ্রেও পাড়ি দিতে হত তাঁকে। ২৭ জুলাই ট্রলারের বাকিদের সঙ্গে মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে রওনা দেন তিনি। তারপর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। পরিবারের লোকজন হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর ইয়াসিনের সন্ধান পেল পরিবার। সেটাও আবার  একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে। ফেসবুকে ইয়াসিনের মৃতদেহের ছবি দিয়ে জানানো হয়, এই দেহটি হাওড়ার ডোমজুড়ের হাসপাতালে আছে। এই ফেসবুক পোস্ট দেখে ডোমজুড়ের হাসপাতালে এসে দেহটি শনাক্ত করেন পরিবারের লোকজন। কাকদ্বীপের মৎস্যজীবীর মৃতদেহ কীভাবে হাওড়ার ডোমজুড়ে পাওয়া গেল, সেটা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। পরিবারের অভিযোগ, ইয়াসিনকে খুন করা হয়েছে। মৃত মৎস্যজীবীর স্ত্রীর অভিযোগ, ‘প্রায়ই ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে মাঝির সঙ্গে বচসা লেগে থাকত ইয়াসিনের। এর আগে বেশ কয়েকবার ইয়াসিনকে প্রাণে মারার চক্রান্ত করেছিল মাঝি।  ওই মাঝিই ইয়াসিনকে খুন করেছে।’ 

{link}
ইতিমধ্যেই ইয়াসিনের পরিবারের পক্ষ থেকে হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মৃত মৎস্যজীবীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তাঁকে খুন করা হয়েছে না মৃত্যুর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

সর্বশেষ আপডেট: