শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার বিকেলে এক প্রেস মিটে হুমায়ূন বলেন, পাঁচ বারের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে হারিয়ে ভুল করেছি। ইউসুফ একজন ফালতু লোক। কখনো আসেন না। অধীর দা থাকলে মানুষ অনেক পরিষেবা পেতো। দ্ব্যর্থহীন ভাবে ভরতপুরের বিধায়ক বলেন, “ইউসুফ তো আসেন না। জেতার পর থেকে একদিনও মানুষের সঙ্গে দেখা করতে যায়নি। আজ আমরা অনুতপ্ত ওর মতো একটা ফালতু লোককে বড় খেলোয়াড় ভেবে মানুষকে ভোট দেওয়ার জন্য বলছিলাম। পাঁচবার সাংসদকে হারিয়ে জেলার মানুষ ভুল করেছে, আমরাও ভুল করেছি। ইউসুফ পাঠানকে জেতানোর জন্য আমরা ভোট দিতে বলেছিলাম, সেটা আমাদের ভুল।” নতুন দলও তৈরি হয়ে কেটে গিয়েছে অনেক দিন। এখন কেন এই অনুতাপ? বিলম্বে বোধদয় নাকি পাখির চোখ জোট সমীকরণ? ঘটনা যাই হোক, আসল সত্য হলো জোট সমীকরণ।
{link}
পরে তিনি বলেন, ২০২৯ সালে ভুলের সংশোধন করে ইউসুফকে হারাবে। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমোর দিকে। তাঁর কথায়, “ক্ষমতা থাকলে ইউসুফকে জিতিয়ে দেখাবেন।” হুমায়ুনের অনুতাপ ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রশ্নই। অবশ্য, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত হতেই হুমায়ুন বলেছিলেন, কীভাবে বহরমপুরে ইউসুফকে জেতাতে ধর্মের রাজনীতি হয়েছে। নেতৃত্বের নির্দেশে তিনি নিজে তা করেছেন বলেও উল্লেখ করেছিলেন। পরে অনুশোচনাও করেছেন। এবার সেই অনুশোচনার গন্ডি পৌঁছে গেল অধীর চৌধুরী পর্যন্ত। যদিও ওয়াকিবহাল মহল এই অনুতাপের নেপথ্যে জোট সমীকরণ দেখছে।
{ads}