শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: এর থেকেও কৌস্তবের গুরুত্বপূর্ণ কথা - 'রাজ্যে পচা ডিম কি কম পড়েছে?' এখান থেকে একটা বিষয় খুবই স্পষ্ট যে রাজ্যে যে 'ডিম থেরাপি' চলছে তা বিজেপির পরিকল্পনা মাফিক। শ্রীরামপুরে বিজেপির যুব গর্জন সভা থেকে ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী বলেন, “শ্রীরামপুরে ঢুকছে কী করে? পচা ডিম কি কম পড়েছে? ডিমের দাম যদি বেশি মনে হয়, বাজারে পচা আলু-টমেটো আছে তো!” এ দিন সভার শুরুতেই কৌস্তভ বাগচী বলেন, “আমি শ্রীরামপুরে সভা করতে আসছি শুনে একজন বলল, কদিন আগে অন্য একটা রাজনৈতিক দলও তো সভা করল। অন্য রাজনৈতিক দল বলছি কারণ ওদের আসল নামটা তো জানা নেই। বালিশ চাটা নাকি চটি চাটা। আমাদেরটা যদি যুব গর্জন সভা হয়, তাহলে ওদেরটা ছিল ঘেউ ঘেউ সভা!”
শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে কদর্য ভাষায় কথা বলার সাহস পায় কোথা থেকে? এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পা ধরে ক্ষমা চাওয়াবো। জেনে রাখো।” এরপর কথায় কথায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘মদ্যপ’ বলে আক্রমণ করেন। বলেন, “এই ধরনের মানুষের সঙ্গে কী করা উচিত? ডিম যদি মনে করেন ৮ টাকা বেশি দাম। তাহলে দুপুর সাড়ে ১২টার পর বাজারে যাবেন। অনেক পচা টমেটো-আলু পাওয়া যায়। এগুলি দিয়ে ভালো করে স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করবে আমাদের যুব মোর্চা ভাইরা। ওই সাংসদ যেখানে যেখানে যাবে, তার জন্য যে দাওয়াই প্রয়োজন, সেটা যুব মোর্চার ভাই-রা করবে। শ্রীরামপুরে ঢোকে কোন সাহসে? ও যেন বাড়ি থেকে বেরোতে না পারে।” কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও আক্রমণ করে বলেন, “একটা মার্ডার কেসের আসামী। আগাম জামিন নিয়েছে।আর বলছে এই করব, সেই করব। ওকে ওঁর দলের লোকেরাই উকিল বলে মনে করে না। সব মামলায় হারে।”

