শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের রেজাল্ট বের হবার পরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু প্রকাশ্যে খুব বেশি আসেন নি। একবার হালিশহরে গিয়ে অসুবিধায় পড়তে হয়েছিল। তাই তিনি এখন বেশিরভাগ সময় বাইরে না বেরিয়ে ফেসবুকে লাইভ করেন। মমতা অভিযোগ করেন, "কোনও জায়গায় মিটিংয়ের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। হোটেল ভাড়া নিলে হোটেলের মালিককে ভয় দেখানো হচ্ছে।” আর সেকথা তুলে ধরেই তাঁর সংযোজন, “বিজেপির নেতারা যদি ভেবে থাকেন, আমাকে মিটিংয়ের অনুমতি দেবেন না তাই, আমি সন্ন্যাস গ্রহণ করব। আমি সন্ন্যাসী নই। যাঁরা আসল সন্ন্যাসী হন, তাঁরা অনেক বড় সাধক হন। আমরা তো সন্ন্যাসীদের পায়ের তলায় পড়ে থাকি। আমরা দেব-দেবীদের শ্রদ্ধা করি। তাদের প্রতি বিশ্বাস, ভরসা আছে বলে। সর্বধর্মের উপর। কিন্তু, মনে রাখবেন, বিজেপিকে সন্ন্যাসে না পাঠানো পর্যন্ত আমাদের লড়াই থামবে না।” এরপরই তিনি বলেন, “মনে রাখবেন, আপনাদের গ্রহণ লেগেছে। তাই আমাকে ভয় দেখাচ্ছেন। বলছেন, ‘আপনি এগুলো করবেন না’। মানুষ আপনাদের ৪ মাসেই বুঝে নিয়েছে।” অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও এদিন সরব হন মমতা। বলেন, “কেন যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অন্নপূর্ণা যোজনা পাচ্ছেন না, তার লিস্ট পাড়ায় পাড়ায় জোগাড় করুন। আপনাদের সঙ্গে আমি রয়েছি।”
এরপরই বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, “অন্নপূর্ণা ভান্ডার (যোজনা) ১ মাস দেবেন, ৩ মাস দেবেন না। পুজো পর্যন্ত বড়জোর দেবেন। তাও কিছু। সবাইকে নয়। দেখে দেখে দিচ্ছেন। চেখে চেখে দিচ্ছেন। বর্ণ দেখে দিচ্ছেন। লক্ষ্মীর ভান্ডার ফিরিয়ে দিন।”যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন মমতা। বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তাণ্ডব করে এলেন। আমার সঙ্গে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কখনও কখনও হয়েছে। কিন্তু, আমি কখনও ওদের অশ্রদ্ধা করিনি। ছাত্রছাত্রীরা আমার বন্ধু। ওরা যখন অনশন করছিল আমি ছুটে গিয়েছিলাম।”
