শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক (I-PAC) মামলার শুনানি আবার পিছিয়ে গেছে। পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৮ মার্চ। বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র ও সঞ্জীব মেহতার বেঞ্চে বুধবারের শুনানিতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষিত হয়। এই নিয়ে তিনবার শুনানি স্থগিত হয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি কলকাতায় আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে কয়লা পাচার মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) তল্লাশি চালায়। তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে উপস্থিত হয়ে ফাইল ও ডিভাইস নিয়ে যান। এরপর ED চুরি-ছিনতাই-ডাকাতির অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে। রাজ্যের তরফে দাবি, ED-এর অনুমতি নিয়েই নথি সংগ্রহ করা হয়েছে।
{link}
শুনানির ইতিহাসে প্রথমে ED-এর অনুরোধে হলফনামা পড়ার জন্য ৭ দিন সময় দেয় আদালত। ১০ ফেব্রুয়ারি কপিল সিব্বলের অসুস্থতায় পিছিয়ে যায়। ১৮ ফেব্রুয়ারিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, সেদিন কাউন্টার হলফনামা জমা দেবেন। কিন্তু তা না হওয়ায় শুনানি স্থগিত।
আদালত পর্যবেক্ষণ করে বলে, কেন্দ্র কেন ED-কে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে? ভোটের আগে বিজেপি-বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে ED-এর তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূলও। এটি রাজনৈতিক সংঘাতকে নজিরবিহীন পর্যায়ে নিয়ে গেছে। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলোচনা চলছে। ১৮ মার্চ রাজ্যের বক্তব্য শোনা হবে।
এই মামলা রাজ্য রাজনীতিতে উত্তপ্ত। তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে, ভোটের সময় ED-এর এই তৎপরতার কারণ কী? ED-এর পক্ষ থেকে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। রাজ্য পাল্টা বলছে, তল্লাশি সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করে।
{ads}