আগামীকাল রাজ্যে জনসভা জে পি নাড্ডার। আগামীকালের জন্যে সভার কাছাকাছি তৈরি করা হচ্ছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড। সকালে হেলিকপ্টার থেকে নেমে কাটোয়ার কৃষ্ণ মন্দিরে পুজো দেবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তারপর মধ্যাহ্নভোজন করবেন স্থানীয় এক কৃষক পরিবারের বাড়িতে। সেই বাড়িও নতুন সাদা রঙের প্রলেপে সেজে উঠেছে বিজেপির এই নেতৃত্বকে স্বাগত জানানোর জন্যে। মোটকথা বিজেপির এই নেতৃত্বকে স্বাগত জানানোর জন্য শেষ মূহুর্তে প্রস্তুতিতে কোনরকম খামতি রাখছেন না স্থানীয় বিজেপি নেতারা।
জে পি নাড্ডার সফরের আগে আজ হেলিপ্যাড, সভাস্থল এবং যে বাড়িতে তিনি মধ্যাহ্নভোজন করবেন সেখানকার নিরাপত্তা ব্যাবস্থা খতিয়ে দেখলেন পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জি। জেলা পুলিশ সূত্রের খবর ডায়মন্ড হারবারে জেপি নাড্ডার সফরে যে ঘটনা ঘটেছিল সেই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি হতে দিতে চায়না পঊর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জী ছাড়াও আজ বিজেপির পক্ষ থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলার গ্রামীন সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন।
শেষবার ডায়মন্ড হারবারে সভা করতে যাওয়ার সময় দুষ্কৃতি হামলার সম্মুখীন হতে হয়েছিল জেপি নাড্ডার কনভয়কে। তারপরেই সভায় পৌঁছে সেখান থেকে রাজ্যে তৃনমূল ও সন্ত্রাস সরিয়ে বিজেপিকে আনার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। তাই কালকের জেপি নাড্ডার এই সভার বাস্তবিক ভাবেই বিপুল গুরুত্ব রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে। তারপর কাল রাজ্যে এক কৃষকের ঘরে নিজের মধ্যাহ্নভোজ করবেন জেপি নাড্ডা। এই পিছনেও কি রয়েছে কোন রাজনৈতিক পদক্ষেপ? কেন্দের উদ্দেশ্যে কী কোন বার্তা দিতে চাইছেন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে? রাজনৈতিক মহলে কিন্তু এই নিয়ে বেশ জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। সবমিলিয়ে কালকের এই সভা উপর যে সারা রাজ্যবাসী ও রাজনীতির সাথে জড়িত মানুষের নজর থাকতে চলেছে সে কথা স্পষ্ট। তবে কাল রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে কি বক্তব্য রাখতে চলেছেন সেটাও এক লক্ষনীয় বিষয় হতে চলেছে।
