আমরা কাকুর অনুগামী, প্রশান্ত কিশোর ও অরূপ রায়কে মানছি না লিখে জটু লাহিড়ীর সমর্থনে পোস্টার হাওড়ায়। ঘুরিয়ে নয় একেবারে সরাসরি নাম করে ক্ষোভপ্রকাশ। পোস্টারের নিচে সৌজন্যে নাম লেখা অনুপ শীল (হাওড়া ১ নং ওয়ার্ড তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি) এবং মহেন্দ্র শর্মা (শিবপুর অঞ্চলের তৃনমূলের সাধারন সম্পাদক)-এর। যার ফলে ফের একবার জনসমক্ষে প্রকাশ্যে হাওড়ায় তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।
উল্লেখ্য বিষয় গত ২২শে ফেব্রুয়ারি দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই বিধানসভায় প্রার্থী হিসাবে নিজের নাম নিজেই ঘোষনা করেছিলেন জটু লাহিড়ী। তার নামে শুরু হয়ে গিয়েছিল দেওয়াল লিখনও। তারপরেই আজ আবার জটু লাহিড়ীর সমর্থনে তার ভক্তদের প্রশান্ত কিশোর ও অরূপ রায়ের বিরুদ্ধে পোস্টার। যার ফলে ফের আবারও একবার হাওড়ায় নির্বাচনের আগে বিপাকে ঘাসফুলের শিবির।
রাজীব ব্যানার্জি, রথীন চক্রবর্তী, বৈশালী ডালমিয়া হাওড়া থেকে বিপক্ষ দলে যোগ দেওয়ার পরেই তেড়েফুঁড়ে প্রচারের লড়াইয়ে নেমেছিল হাওড়ার তৃনমূল বাহিনী। দল থেকে অনেক চলে গেলেও লড়াইয়ের ময়দানে সংগঠিত ও শক্তিশালী লাগছিল হাওড়ায়। দলীয় কর্মীরাও নিজের সবটা দিয়ে নেমেছিলেন লড়াইয়ের ময়দানে। হাওড়ার মানুষ ও রাজনীতিবিদদের একাংশের মতামত ছিল এই তৃনমূল থেকে হাওড়ায় মিটে গেছে সমস্ত রকমের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। কিন্তু আবারও জটু লাহিড়ীর হাত ধরে হাওড়ায় প্রকাশ্যে তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এই পরিস্থিতি ফের বিপাকে ফেলবে না তো ঘাসফুলের শিবিরকে? প্রশ্ন উঠছে বেশ কিছু মানুষের মনে। বিরোধীপক্ষ অবশ্যই সুযোগ নিতে পিছপা হবেন না। যদিও অন্য নেতাদের মত দলত্যাগের কথা বলেলনি তৃনমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা। এটা অবশ্যই ঘাসফুলের শিবিরের জন্য একটা ভালো দিক। আগামী পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপের পর দল থেকে কি প্রতিক্রিয়া আসে তাই সেটাই এখন দেখার বিষয়।
.jpeg)
