বেলুড় মঠে সাড়ম্বরে পালিত হল প্রভু যিশুর পূজা। পরিস্থিতি বুঝে দুর্গাপূজা, কালীপূজা ও জগদ্ধাত্রী পূজার পর এবার প্রভু যিশুর পূজাও বেলুড়মঠে সাধারন দর্শনার্থীকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত হল। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে স্বামী বিবেকানন্দ সহ সহযোগী মহারজেরা সিদ্ধান্ত নেন রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেই থেকেই সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে আজকের দিনটি। অন্যান্য উৎসবের মতো প্রভু যীশুর আরাধনা করা হয় যথার্থ মর্যাদার সঙ্গে। কেক, মিষ্টি, পেস্ট্রি, বিভিন্ন ধরনের ফল সহ পানীয়, চকলেট প্রভৃতি খাদ্য সামগ্রী পরিবেশন করা হয় প্রভুকে। বড়োদিনের আগের দিন সন্ধ্যারতির পর সুসজ্জিত করে তোলা হয় প্রভু যীশুর পুজামঞ্চ ও তারপরেই প্রভুর আরাধনা করেন বেলুড় মঠের সাধু সন্ন্যাসী ও মহারাজেরা। শাস্ত্র মেনে বড়দিনের আগের দিন শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের সামনেই প্রভু যীশুর আরাধনা করা হয়। এবারও সেই একই প্রথা মানা হয়েছে। ক্যারল সংগীতের মাধ্যমে প্রভু যীশুর আরাধনা করা হয় ভক্তি ধরে।
এই বছর এক দুঃস্বপ্নের বছর গেছে, বিশ্ব মানব সভ্যতার নিকট, করোনা কেড়ে নিয়েছে লক্ষাধিক মানুষ। বছর শেষে ব্রিটেনে করোনা পরিস্থিতি আরো তীব্র হয়েছে। যার ফলে বড়দিনেও একাধিক বাঁধা তৈরী হয়েছে বিশ্বজুড়ে। এই সঙ্কট্ময় পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য পৃথিবীর সমস্ত ধর্মের মানুষের প্রভু যীশুর কাছে প্রার্থনা একটাই, কেটে যাক দুঃখের পরিবেশ ফিরে আসুক নতুন পৃথিবী।
