Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 09/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Ration Scam: ঘরশত্রু বিভীষণ! জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কে ফাঁসাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মানুষেরাই

Loading... রাজ্য
Ration Scam: ঘরশত্রু বিভীষণ! জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কে ফাঁসাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মানুষেরাই
#news #Jyotipriya Mallick #Money #Scam #West Bengal #সংবাদ

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: অভিজিৎ দাসের পর এবার রামস্বরূপ শর্মা। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে ফাঁসাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্ট বৃত্তের লোকজনই। দিন কয়েক আগে জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস দাবি করেন, মন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁর মা ও স্ত্রীকে কোম্পানির ডিরেক্টর করতে বাধ্য হন তিনি। এবার মুখ খুললেন রামস্বরূপ। বিহার থেকে ভাগ্যান্বেষণে ১৯৯৩ সালে কলকাতায় আসেন তিনি। কলেজ স্ট্রিটে সেলুন খুলেছিলেন। এখানেই বাড়ি ছিল জ্যোতিপ্রিয়রও। রামস্বরূপ বলেন, আমি ৯৩ সালে কলকাতায় এসেছি। সেলুন আছে। কলেজ স্ট্রিটের ওখানে ফুটপাতের ওপর সেলুন ছিল। এখনও আছে। এখানেই একটি বাড়িতে থাকতেন দাদা। দাদার বাজার এটা সেটা করে দিতাম। ২০ বছর কাজ করার পর দাদা আমাকে একটা চাকরি দিয়েছে। ১০ বছর হয়ে গিয়েছে চাকরির।

{link}

এই প্রসঙ্গে রামস্বরূপ বলেন, আমি সাহেবের কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা লোন হিসেবে নিই। ৫ লক্ষ টাকা শোধও করেছি। আরও ১৫ লক্ষ টাকা পাবেন সাহেব। তিনি বলেন, আমি বালুদার কাছে কাজ করতাম। ওঁর কাছ থেকেই নিয়েছি। ইডি জেনেছে, এই রামস্বরূপ একটি সংস্থার ডিরেক্টর। কীভাবে ডিরেক্টর হলেন রামস্বরূপ বলেন, কোম্পানির ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। খবরে শুনেছি। আমি এসব কিছুতেই নেই। ওসব নামও আমি জানি না। বালুদার নাম করে কিছু লোক আমার কাছে সই করিয়েছিল। আমি সই করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমি আর কিছু জানি না। আমি অতশত বুঝি না। আমি হিন্দিতে লেখাপড়া জানি। বিহারে ক্লাস সিক্স-সেভেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলাম। আমি ইংরেজি কিছু জানি না। বলল, দাদা পাঠিয়েছে, সই করে দাও। আমি জানি না, কিছু বুঝিও না। এর পিছনে কিছু বলার নেই। তিনি বলেন, আমার তো ধোয়া, মোছা, পরিষ্কার করার কাজ (জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে)। করতেই হয়। কৃষি দফতরেও কাজ করি। কনট্রাকচুয়াল গ্রুপ ডি। 

সর্বশেষ আপডেট: