"গাড়িতে বসে হাত নাড়াতে আসিনি, পায়ে হেঁটে প্রতিটা মানুষের বাড়িতে পৌছাবো, প্রার্থী হিসেবে আমি নিজেই কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা টি বেছে নিয়েছি, তার কারণ কৃষ্ণনগর থেকে এই প্রথম আমার চলচ্চিত্র জীবনের পথ চলা শুরু" বলে নিজের কেন্দ্রে পৌঁছোলেন কৌশানী মুখার্জী। ওনার প্রথম ছবি ‘পারবোনা আমি ছাড়তে তোকে’ এই কৃষ্ণ নগরের মাটিতেই হয়েছিল, তাই এখানকার মাটি, সংস্কৃতি, মানুষজনের সাথে তার আগে থেকেই রয়েছে তার পরিচয়, রয়েছে ভালোবাসা। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়ার পর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম এসে কথা বললেন অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জী।
পাশাপাশি তাকে প্রার্থী করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জী। উল্লেখ্য নদীয়ার কৃষ্ণনগর উত্তরে বিধায়ক ছিলেন অবনী মোহন জোয়ারদার। কিন্তু ওনার শারীরিক অসুস্থতায় তিনি মারা যান। সেই কারণে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষ্ণনগরের উত্তরে প্রথম কৌশানী মুখার্জী কে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন। তার নাম ঘোষণা করতেই কৃষ্ণনগরের বেশ কয়েক জন তৃণমূল নেতাকর্মীদের মুখে উল্টো সুর শোনা যায়। কখনো কখনো প্রকাশ্যে চলে আসে তারা বহিরাগত প্রার্থী চায়না এই শ্লোগানও। এই বিষয়ে কৌশানী মুখার্জী কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন এখনও সবার সঙ্গে কথা বলে উঠতে পারিনি। আমার মনে হয় সকলের সঙ্গে কথা বলার পর এগুলো আমি নিজে সামলে নিতে পারব। এছাড়াও তিনি বলেন আমি সকলের পায়ে হেঁটে বাড়িতে বাড়িতে পৌছাবো। এখানকার মানুষের কি অসুবিধা আছে সেগুলোই সমাধান করা আমার প্রথম কাজ। অভিনেত্রী হতে পারেন কিন্তু তিনি প্রার্থী হিসাবে আর পাঁচজন সাধারণ প্রার্থীরই মতো। চলচ্চিত্র জগত ও রাজনৈতিক জগত সম্পূর্ণ আলাদা হলেও তিনি উভয় দিকই সাম্যতা বজায় রাখার চেষ্টা করবেন।
