কৃষকদের লালকেল্লায় অভিযান নিয়ে অভিযোগ তুললেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী।তিনি বলেন, দিল্লীতে লালকেল্লার অভিমুখে অভিযানের শুরুতে কোন পুলিশ উপস্থিত ছিলনা।সকাল থেকে সামাজিক মাধ্যমে লালকেল্লা দখলের হুমকি প্রচার হতে থাকে। কিন্তু সেই মুহূর্তে কোন প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করেনি কেন্দ্র। তাদের পথে কোন বাধাও দেওয়া হয়নি প্রথমে।তিনি সরাসরি কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে বলেন, ইচ্ছা করেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হয়েছিল, যাতে কেন্দ্রে সরকার এই কৃষক আন্দদলনকে সম্পূর্ণ বিপথে চালিত করতে পারেন এবং কালিমালিপ্ত করতে পারেন। কালকের মতো দিনে জাতীয় পতাকা খুলে অন্য পতাকা ওড়ানোকে তিনি নিন্দেনীয় বিষয় বলে অভিহিত করেছেন।
কৃষকরা প্রায় ২মাস ধরে ঠায় দিল্লী সীমান্তে বসে আছে এক থেকে দুই ডিগ্রি তাপমাত্রাতে, খোলা আকাশের নীচে, ঝড়, জল, বৃষ্টির মধ্যে ক্রমাগত আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।সবশেষে বিক্ষুব্ধ হয়ে কাল তারা লালকেল্লাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন।হয়তো কাল ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস হিসাবে আন্দোলনের সময়টা ঠিক মতো বেছে নিতে পারেননি কিন্তু তা বলে প্রথমে পুস্প বৃষ্টি আর পরে কাঁদানে গ্যাস, লাঠি চার্জও তাদের প্রাপ্য ছিল না। হয়তো কাল যেখানে দেশের জাতীয় পতাকা ওড়ার কথা ছিল সেখানে জাতীয় পতাকা খুলে অনান্য পতাকা ওড়ানো বিষয়টি সত্যি নিন্দেনীয়। কিন্তু এত কিছুর পরও কেন্দ্রীয় সরকার আন্দোলনকারীদের চুপ করিয়ে দিতে ব্যাস্ত তাদের অসুবিধা নিয়ে সরব নয়।কালকের মতো মর্যাদা পূর্ণ দিনে এ ঘটনা দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যাবস্থাপনার উপরও প্রশ্ন তোলে।
