একসময় তার বাবা চাকরি করতেন বিধানসভায়। ছোটবেলায় সেই বাবার হাত ধরেই কতবার বিধানসভায় এসেছিল সেই ছোট্ট মেয়েটি। তারপর সময় গড়িয়েছে অনেক। সেদিনের সেই ছোট্ট মেয়ে আজ বড় হয়েছেন, হয়েছেন সংসারী। তার বাবা বেশ কিছুদিন আগে অবসর নিয়েছেন বিধানসভার চাকরি থেকে। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে সোনারপুর দক্ষিণ থেকে সেই মেয়েকে প্রার্থী করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। সেই কেন্দ্রেই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে সেই কেন্দ্রে জয়লাভ করে শেষ হাসি হাসেন তিনি। তিনি লাভলি মৈত্র।
{link}
বৃহস্পতি ও শুক্রবার দুদিন ধরে বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ীরা শপথ নেবেন। গতকাল, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার শপথ নেন বেশ কয়েকজন বিধায়ক। তাদের মধ্যে ছিলেন লাভলিও। ঈশ্বরের নামে শপথ নেওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ঠিক সেই মুহুর্তেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, বাবা বিধানসভায় চাকরি করতেন। ছোটবেলায় বাবার অফিসে যেমন অন্যরা যায়, আমিও তেমন এসেছি। তবে আজ শপথ নিতে বিধানসভায় এসে আমার অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে।
{link}
লাভলির স্বামী সৌম্য রায় পুলিশের পদস্থ কর্তা। পোস্টিং ছিল হাওড়ায়। নির্বাচন কমিশন তাঁকে সরিয়ে দেয়। বিপুল ভোটে জয় পেয়ে বিধানসভার অলিন্দে পা রাখেন লাভলি। তার পরেই হয়ে পড়েন স্মৃতিমেদুর। যার ফলে এই গল্পটাও অনেকটা স্বপ্নপূরনের মতোই। যখন প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষনা করা হয়েছিল তখন তাকে অনেকে তুচ্ছ করেছিলেন। অভিনেত্রী সহজেই হেরে যাবেন বলেও মতামত দিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু সেই হারা ম্যাচ জিতেই নিজেকে রাজনীতির মঞ্চে প্রমান করে দিয়েছেন অভিনেত্রী। এখন তিনি সোনারপুর দক্ষিনের বিধায়ক। তার নামের মতোই তার জয়টাও এককথথায় এক্কেবারে ‘লাভলি উইন’
