শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে বেশ কয়েক হাজার সেন্টার। পরীক্ষার্থী ২ লক্ষের বেশি। গার্ড থাকবেন বেশ কয়েক হাজার শিক্ষক। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তো শিক্ষকদের কাজে নিযোগ করে রেখেছেন। কমিশনের কাছে শিক্ষকদের রিলিজ করার জন্য চিঠি লিখলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায় নো। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু আগেই জানিয়েছিলেন যে বিএলও নিয়োগ করার কথা রাজ্যকে জানানো হয়নি। মাধ্যমিক পরীক্ষা কীভাবে চলবে, তা নিয়ে আগেই সংশয় প্রকাশ করেছিল পর্ষদ। শিক্ষকদের যাতে কমিশনের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, সেই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল পর্ষদের তরফে। পর্ষদের সেই চিঠিকে সমর্থনও জানিয়েছিলেন ব্রাত্য বসু। এবার ফের চিঠি দিল পর্ষদ।
{link}
স্বাভাবিক কারণেই প্রবল ক্ষুব্ধ রাজ্যে শিক্ষা দপ্তর। জানা গিয়েছে, গোটা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ৫২ হাজার শিক্ষক। এদিকে পর্ষদের কাছে এখনও কোনও নিশ্চয়তাই নেই। ফলে , পরীক্ষায় একদিন আগেও মুখোমুখি সংঘাতে পর্ষদ ও নির্বাচন কমিশন। শিক্ষকরা বিএলওর কাজ করলে মাধ্যমিক পরীক্ষায় গার্ড দেবেন কারা? প্রশ্ন তুলেছেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের পূর্ণ সময়ের জন্য ছাড়তে হবে।এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা রাজ্য আর পর্ষদের ভিতরের ব্যাপার। এ ব্যাপারে বেশি কথা বলতে চাই না।"
{ads}