Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

অসুস্থ মায়ের রিপোর্ট আনতে সাইকেলেই ৭০ কি.মি. দূরে গন্তব্যে পাড়ি ছেলের

Loading... রাজ্য
অসুস্থ মায়ের রিপোর্ট আনতে সাইকেলেই ৭০ কি.মি. দূরে গন্তব্যে পাড়ি ছেলের
#Love for mother #Covid-19 #Malda Medical Collage #News #Feature #West Bengal #India #Emotional Story

কবি নজরুল ইসলাম তার মা কবিতায় লিখেছিলেন,”যেখানেতে দেখি যাহা/মায়ের মতন আহা/ একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,/মায়ের মতন এত/আদর সোহাগ সে তো/আর কোনখানে কেহ পাইবে ভাই!...” মা ও সন্তানের বন্ধনের সামনে বোধহয় হার মানে পৃথিবীর সমস্ত শক্তি। তা সে শক্তি দৃশ্যমান হোক কিংবা অদৃশ্য। তাই আরও একবার প্রমান করলেন এক মায়ের সন্তান। 

{link}
অসুস্থ মায়ের রিপোর্ট আনতে ৭০ কিমি সাইকেল চালিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজ গেলেন ছেলে! এমনই নজিরবিহীন চিত্রের সাক্ষী রইলেন সামসেরগঞ্জ থানার উত্তর চাচণ্ডো গ্রামের মানুষজন। পেশায় ঘুঘনি ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান নামে ওই যুবকের তৎপরতা মুগ্ধ করেছে এলাকাবাসীকে। মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসাকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি বিষয়টি নজরে না আসায় ওই যুবককে সাহায্য করতে না পেরেও  মন খারাপ গ্রামবাসীদেরও। কিন্তু কেউ পাশে না থাকলেও হার মানেননি সেই যুবক। 

{link}
জানা গিয়েছে, বাড়িতে কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ মিজানুর রহমান নামে ওই যুবকের মা। ঈদের দিন কয়েক আগেই ডাক্তারের পরামর্শ মতো মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে এমআরআই করিয়ে নিয়ে আসেন। ঈদ শেষ হলেই রিপোর্ট নিয়ে আনতে যাবার কথা তার। কিন্তু ঈদের পরদিন রিপোর্ট দেওয়া বন্ধ হওয়ায় যেতে পারেননি তিনি। ঠিক তারপরেই লকডাউন হয়ে যায়। ফলে কিভাবে রিপোর্ট আনতে যাবেন তা নিয়ে কার্যত বেজায় চিন্তিত হয়ে পড়েন মিজানুর রহমান। কিন্তু মায়ের অসুখের কথা চিন্তা করে বুধবারই মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে সাইকেল নিয়ে রওয়ানা দেয় সে। টানা প্রায় চার ঘণ্টা অর্থাৎ ৭০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজে পৌঁছে  আবার আরো ৭০ কিলোমিটার অর্থাৎ চার ঘণ্টা  সাইকেলে করেই বাড়ি ফিরে আসে সে। টানা আট ঘন্টা সাইকেল চালিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে যেভাবে মায়ের জন্য রিপোর্ট নিয়ে এলেন ওই যুবক তাতে এলাকাবাসী মিজানুর কে কার্যত স্যালুট জানিয়েছেন। তার এই প্রয়াস ও মায়ের প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসার নিদর্শনকে কুর্নিশ শেফিল্ডের পক্ষ থেকেও। যুগ যুগ ধরে গ্রামের মানুষের মুখে গল্প হয়ে বেড়াবে এই ঘটনা, জানিস মিজানুর নামে এক ছেলে ছিল, সে তার মায়ের জন্য কি করেছিল জানিস? 

{link}
মা ও সন্তানের ভালোবাসার এক কথায় কোন বর্ননা করা সম্ভব নয়। কারন এই অটুট ভালোবাসাকে কোন একটা শব্দের বন্ধনে আবদ্ধ করা শুধু কঠিন নয়, অসম্ভব। 

সর্বশেষ আপডেট: