একসময় দলের অন্যতম সেনাপ্রধানই যদি সেই দলের বিরুদ্ধ শিবিরে যোগ দিয়ে পূর্বের রানির উপর আক্রমন করে তবে সেই ধরনের আক্রমন সেই রাজা বা রানীর পক্ষে সামলে ওঠা বেশ কঠিন হয়ে ওঠে। যার যথার্থ উদাহারন আছে হিন্দু মহাকাব্য রামায়নে। রামায়নে বিভীষনের হাত ধরেই যুদ্ধে রাবনকে পরাজিত করেছিলেন রাম। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল নবাব সিরাজদৌল্লার সময়েও। মির্জাফরের হাত ধরেই যুদ্ধে জয়লাভ করেছিলেন লর্ড ক্লাইভ।
বর্তমানে সময়ে বঙ্গের রাজনৈতিক মহলের চিত্র অনেকটা সেইরকমই। তবে এক্ষেত্রে এক পক্ষের একাধিক সেনাপতি বিভীষন ও মীরজাফরের ন্যায় যোগ দিয়েছেন বিপক্ষ শিবিরে। এবং যোগ দেওয়ার পরেই তারা একের পর এক বাক্যবান হানছেন রানির উপর। রানীও তার জবাব দিতে ছাড়ছেন না। বিপক্ষ শিবিরে সর্বশেষ বড়ো নাম হিসাবে যোগ দিয়েছেন হাওড়ার ডোমজুড়ের সেনাপতি। তার বাক্যবানেই একের পর এক বিদ্ধ হচ্ছেন রানী। আজ রানীর পদক্ষেপের তীব্র কটাক্ষ করার সাথে সাথে রানীর রাজ্যপাঠ গোড়া থেকে কেটে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। যাদিও এরপর রানীর প্রতিক্রিয়া এখনও আসেনি।
তবে বর্তমানে রাজনৈতিক লড়াইয়ে প্রশ্ন একটাই, রামায়নের কিংবা সিরাজদৌল্লার মতো এই যুদ্ধের পরিনামও সময় আবার ২০২১-এর নির্বাচনেও পুনরাবৃত্তি ঘটাবে না তো ? নাকি সব ইতিহাসের ছক উল্টে যুদ্ধে জয়লাভ করবেন রানী বজায় রাখবেন তার রাজ্যপাট ? প্রশ্নের উত্তর সেই আগেও জনতাই দিয়েছিলেন এবারেরো জনতাই দেবেন।

