নন্দীগ্রামে বিধানসভায় ঘাসফুলের প্রার্থী হয়ে দাঁড়াচ্ছেন স্বয়ং জননেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। আজকের নন্দীগ্রামে জনসভা থেকেই কার্যত নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে বজ্রপাত করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দলের হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নামবেন তিনি স্বয়ং। জনসভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমি এমন কাউকে দাঁড় করাব যে মানুষের হয়ে কাজ করবে। সেখান থেকেই তিনি বলেন ভাবছিলাম যদি আমাই নিজেই দাঁড়াই নন্দীগ্রাম থেকে। সেই একই বক্তব্যে সুব্রত বক্সিকে তিনি মঞ্চেই অনুরোধ জানিয়েছেন নন্দীগ্রামে যেন তার নামটা লেখা থাকে। এছাড়াও নন্দীগ্রামকে এদিন নিজের মনের যায়গা ও লাকি যায়গা বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
নন্দীগ্রামের সবচেয়ে পরিচিত রাজনৈতিক মুখ শুভেন্দু অধিকারী কার্যত এবারের রাজনৈতিক লড়াইয়ের আগুনে ঘি ঢেলে ঘাসফুল শিবির ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন পদ্মফুলের শিবিরে। সেই পদক্ষেপ থেকেই কার্যত একুশের রাজনৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে নন্দীগ্রাম। একের পর এক জনসভা ও উত্তর প্রতুত্তরের লড়াইয়ে রনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে রাজ্যের এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ন বিধানসভা কেন্দ্রটি। আজকে তৃনমূলের এই জনসভা এককথায় কয়েকদিন পূর্বে হওয়া অমিত শাহের সভার প্রতুত্তর ছিল। আর সেই সভাতেই কার্যত বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক নতুন মাত্রা এনে দিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। যার ফলে এবারের রাজনৈতিক লড়াইয়ের আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু যে নন্দীগ্রামই হয়ে থাকতে চলেছে সে কথা আলাদা ভাবে আর বলে দিতে হয় না। এখন মমতা ব্যানার্জির এই পদক্ষেপের জবাবে বিজেপির পক্ষ থেকে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয় সেই দিকেই তাকিয়ে রাজ্যের জনগন ও গোটা রাজ্যের সাধারন মানুষ।

