করোনার প্রভাব , ফলন হ্রাস তাঁর ওপর মূল্যবৃদ্ধি , দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাপটে কার্যত ব্যাকফুটে মধ্যবিত্ত পরিবার । আনলকের পর পরেই আলু , পিঁয়াজের দাম মাত্রারিক্ত ভাবে বৃদ্ধি হতে থাকে এবং বাজারে আগুন ছড়তে থাকে প্রয়োজনীয় দ্রব্যের । অন্যান্ন রাজ্য থেকে আমদানি , রপ্তানিতেও ছিল নানান সমস্যা কিন্তু এখন ট্রেন চালু হয়ে গেছে এবং ভিন রাজ্যে থেকে আবার আমদানি শুরু হয়েছে । কিন্তু এই মূল্যবৃদ্ধি ঠিক কবে কমবে এই নিয়ে চিন্তার ভাঁজ এখন মধ্যবিত্ত সমাজে ।
আলুর দাম শহর কলকাতায় এতটাই বেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন টাক্সফোর্সের সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোলে। তিনি জানিয়েছেন ক্রমাগত আলুর দাম শহর কলকাতায় বেড়েই চলেছে ।প্রচুর পরিমাণে আলু উৎপাদন হয়েছিল ও মজুদ ছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে আলু রাজ্য থেকে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে এবং পাঞ্জাব থেকে যে আলু রাজ্যে প্রবেশ করছে তার দাম অতিরিক্ত মাত্রায় বেশি।
সাধারণ বাজারে আলুর আম ৪০ টাকা কিন্তু ছোট দোকান ও খুচরো বিক্রেতারা তা বিক্রি করছেন ৪২-৪৫ টাকায় । চন্দ্রমুখী আলুর দাম আরো বেশি ।তাই মানুষকে আলুর ব্যবহার কমিয়ে শীতের সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ বাবু । তিনি জানিয়েছেন শীতের সবজি উঠেছে এবং দাম অনেক কম।
মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আরও এক বাঁধা এসে পড়েছে তা হল বনধ , সারা দেশ জুড়ে আগামী ২৬ শে নভেম্বর ধর্মঘট ।টাক্সফোর্সের সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোলে সমস্ত সদস্য এবং দোকানদারদের জানিয়েছেন কোনরকম ভাবে ব্যবসা ,দোকান বন্ধ রাখা যাবেনা। করোনার সময লকডাউন চলাকালীন অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং পুজোর সময়ে ব্যবসা ভালো হয়নি। তাই একদিন ধর্মঘটের জন্য দোকান বন্ধ রাখলে অনেক ক্ষতি হবে ।তাই তিনি সবাইকে জানিয়েছেন দোকানপাট খোলা রাখার ।