শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : কংগ্রেস আমলে হনুমান চালিশা শোনাও অপরাধ বলে গণ্য হত। মঙ্গলবার, হনুমান জয়ন্তীতে রাজস্থানের টঙ্ক কেন্দ্রের এক জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবারই রাজস্থানের বাঁসওয়াড়ায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির ইস্তাহারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশে যাদের সন্তানের সংখ্যা বেশি এবং যারা অনুপ্রবেশকারী, কংগ্রেস তাদের সম্পদ বিলিয়ে দেবে। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের জেরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
{link}
নির্বাচন কমিশনের কাছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি।কংগ্রেসের ইস্তাহারের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের ইস্তাহারেই লেখা রয়েছে যে তারা সম্পত্তির সমীক্ষা চালাবে। তাদের নেতারাই বক্তৃতায় বলছেন, সম্পত্তির এক্স-রে করা হবে। কিন্তু মোদি যখন সে কথা ফাঁস করে দিচ্ছে, তখন আপনাদের গোপন অ্যাজেন্ডা বেরিয়ে পড়েছে। আর আপনারা এখন থরথর করে কাঁপছেন। তিনি বলেন, আমি আপনাদের সামনে এই সত্যটা তুলে ধরতে চাই যে কংগ্রেস আপনাদের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করছে।
{link}
নির্বাচিত কিছু লোকের হাতে সেই সম্পত্তি তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস জমানায় মানুষ নিজের ধর্ম, বিশ্বাস নিয়ে থাকতে পারতেন না। সেই আমলে হনুমান চালিশা শোনাও অপরাধ বলে গণ্য হত। তিনি বলেন, দুতিন দিন আগে আমি কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কের তোষণমূলক রাজনীতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছি। এতেই কংগ্রেস ও তাদের ইন্ডি জোট প্রচণ্ড রেগে গিয়েছে। তারা এতটাই রেগে গিয়েছে যে, তারা এখন সব সময় মোদিকেই অপমান করছে। তাঁর দাবি, এই সত্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ভয় পেয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। রাজনৈতিক কৌশল লুকোতে চাইছে তারা।
