হাওড়ার বুকে একসময় জঙ্গল ও আগাছায় ভর্তি ছিল জায়গাটা। অধিকাংশ অংশই অন্ধকারে ভরা সেই সময়েই তৈরি হয় নির্মানকার্য। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বিশাল এক বিল্ডিং। আর আজ সেই বিল্ডিং-এ আসন পাওয়ার জন্যই এতো রাজনৈতিক লড়াই। একাধিক দলবদলের টালবাহানার পর অবশেষে সিদ্ধান্ত, সেই নীল বাড়িতে এবারে আবার জোড়া ফুল। কিন্তু এই নীল-সাদা বড়িতে কবেই বা প্রথম পা ফেলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ?
{link}
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে এলেন তৃতীয়বার। ২০১১ সালে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিয়ে পায়ে হেঁটে সোজা পৌঁছেছিলেন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। কিন্তু জরুরি ভিত্তিতে রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারের প্রয়োজন হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গঙ্গার পশ্চিম পাড়ে এইচ আর বি সির তৈরি করা বহুতল বাড়িটি প্রশাসনের সদর কার্যালয় হিসাবে পছন্দ করেন। পরে বাড়ি টির আমূল সংস্কার করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছাতেই বাড়ির নাম করণ হয় নবান্ন। ২০১৩ সালের মহালয়ার পুণ্য তিথির পুণ্য লগ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম নবান্নে প্রবেশ করেন। সেদিন একটা অংশের সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা গিয়েছিল ব্যাপক উন্মাদনা। আবেগ। বিপুল শঙ্খ ও উলুধ্বনি র মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে আসেন। সেটাই ছিল তার নবান্নে আসার প্রথম দিন। কিন্তু নবান্নের নাম করণ হওয়ার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাওড়ার শরৎ চ্যাটার্জি রোডের এইচ আর বি সির তৈরি করা এই বহুতল বাড়িটি রাজ্য প্রশাসনের সদর দপ্তর হতে পারে কি না সেটা বুঝে নিতে পরিদর্শন করেন। সবুজ সংকেত দেওয়ার পর যুদ্ধ কালীন তৎপরতায় শুরু হয় বাড়িটি সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার কাজ। আজ যার নাম.... নবান্ন।
