টানা তিনদিন হাসপাতাল নিরাপত্তারক্ষীদের অনশন,যার জেরে এবার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন একাধিক অনশনকারি।ঘটনাটি ঘটে নদীয়ার কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার সদর হাসপাতালে।
{link}
কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতাল এবং শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের একাধিক নিরাপত্তারক্ষী কর্মীরা কাজ করেছেন একটানা আটমাস। কিন্তু কর্মীদের অভিযোগ,কাজ করার পরেও তাদের কোনো বেতন দেওয়া হয়নি।এই বিষয়ে দুই হাসপাতালের সুপারকে একাধিকবার লিখিত অভিযোগও জানান কর্মীরা,তাসত্ত্বেও কোনো আশানুরুপ ফল পাননি তারা।হাসপাতালের তরফ থেকে বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যত দ্রুত সম্ভব তাদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়া হবে।বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি রেখে কাজ করেও কোনো পারিশ্রমিক পায়নি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষী কর্মীরা।এরপর জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও নদীয়া জেলা শাসকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন তারা।তাতেও কোনো সুরাহা হয়নি।অবশেষে তিনদিন আগে কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালের পাশে একটি মঞ্চ বেঁধে অনশনে বসেন নিরাপত্তারক্ষীরা।শুধু তাই নয়,সেদিন তারা হাসপাতাল সুপারকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখায়। যদিও সুপারের দাবি, যেহেতু রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তাদের হাতে কোনো টাকা আসেনি সেই কারনেই সুপার তাদের টাকা দিতে পারেননি।তবে টাকার দাবিতে এখনও অনশন করছেন নিরাপত্তারক্ষীরা।এদিন সকালে অনশনরত কয়েকজন কর্মী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
{link}
অনশনকারীদের দাবি, যতক্ষন পর্যন্ত তাদের পারিশ্রমিক মিটিয়ে দেওয়া না হচ্ছে এবং প্রতি মাসে তারা যাতে সঠিকভাবে তাদের প্রাপ্য মজুরি পায় সে বিষয়ে আশ্বাস না দেওয়া হচ্ছে ততক্ষন পর্যন্ত তারা এই অনশন চালিয়ে যাবে।তবে এই বিষয় নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি স্বাস্থ্য দফতর।
