থাকতে হবে জেলেই। প্রায় আড়াই ঘন্টা শুনানির পরেও মিলল না সমাধান। অর্থাৎ আজকের মতো শুনানি শেষ। আবার অপেক্ষা করতে হবে ২৪ ঘন্টা। আজকের শুনানির পরেও কোনরকম নির্দিষ্ট সমাধান না পাওয়ায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হল। আগামীকাল দুপুর দুটো থেকে আবার শুরু হবে শুনানি।
{link}
অর্থাৎ বাংলায় এই মুহুর্তে যে দিকে সবচেয়ে বেশী লক্ষ্য রয়েছে বাংলার মানুষের, সেই প্রশ্নের উত্তর আজ অধরাই রয়ে গেলে। আড়াই ঘন্টার বেশি ধরে শুনানি চললেও রায় মেলেনি হাইকোর্টের থেকে। যে বিষয়গুলি এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সামনে উঠে আসছে তা হল, নিরাপত্তা, হাসপাতালে বন্দিদের রাখা, চার্জশিট পেশ ইত্যাদি। একদিকে চার হেভিওয়েটের মুক্তি করাতে আপ্রান চেষ্টা করছেন তাদের আইনজীবিরা। অন্যদিকে সিবিআই যেভাবেই হোক চাইছেন তা যেন না হয়। কিন্তু কোন পক্ষের জয় হয় তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে এখনও প্রায় ২৪ ঘন্টা।
{link}
আজকেও শুনানির স্থগিতাদেশ হওয়ার পর সমস্ত আইনজীবীরা এসে তাদের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল নেতৃত্বদের মতে এর পিছনে কেন্দ্রীয় সরকারের হাত রয়েছে। এই তত্বেই এখনও অটুট রয়েছেন তারা।
