সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আতিথেয়তার পরেও শেষ রক্ষা হল না। অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন বাংলাদেশী এক মৎস্যজীবী। মৃত বাংলাদেশী মৎস্যজীবীর নাম ইউনুস গাজী (৪৭)। তিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার বিপিনপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ট্রলার ডুবির পর সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল বাংলাদেশী মৎস্যজীবীদের। তাঁর মধ্যে তিনিও ছিলেন। দীর্ঘক্ষণ সমুদ্রে ভেসে থাকায় শরীরে ডিহাইড্রেশান হয়েছিল বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর।
{link}
জানা যায়, সঙ্কটজনক অবস্থায় ভারতীয় মৎস্যজীবীরা তাঁকে উদ্ধার করেছিলেন। এক সপ্তাহ ধরে চিকিৎসকদের অক্লান্ত চেষ্টার পরও শুক্রবার ওই বাংলাদেশী মৎস্যজীবীর মৃত্যু হয়েছে ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মহিপুর মৎসবন্দর থেকে অন্যান্য বাংলাদেশী মৎস্যজীবীদের সঙ্গে ইউনুস ও মাছ ধরতে বের হয়েছিলেন সপ্তাহখানেক আগে। ট্রলার ডুবির পর উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের শারীরিক পরীক্ষার জন্য মাধবনগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় অন্যান্য মৎস্যজীবীদের সঙ্গে ভর্তি হয়েছিল ইউনুসও। ক্রমে তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
{link}
কাকদ্বীপ সুন্দরবন মৎস্যজীবী শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, উদ্ধারের পর শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। যার ফলে তাঁকে কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে থেকে স্থানান্তরিত করা হয় ডায়মন্ডহারবার জেলা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা হচ্ছিল তাঁর। এক সপ্তাহ ধরে চিকিৎসা করার পর অবশেষে মৃত্যু হয় ওই মৎস্যজীবীর। ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের পর তাঁ দেহ সংরক্ষণ করা থাকবে। দুই দেশের সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলা হচ্ছে যাতে খুব তাড়াতাড়ি মৃতদেহ সহ যে সকল মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করা হয়েছে তাদেরকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
